বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মশাল মিছিল নওগাঁয় জাল ২৫ হাজার টাকাসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রাজধানীতে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ১২ নারী উদ্ধার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই: সালাহউদ্দিন এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, এলাকায় সমালোচনা আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক লুটপাট করেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, আতঙ্কে মানিক পশারীর স্বজনেরা; নেই পুলিশি পাহারা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বৃহস্পতিবার সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মশাল মিছিল

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১২:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 2

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংঘবদ্ধ হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের ঝিনাইদহ জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের এইচএসএস সড়ক থেকে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওয়াজির আলী স্কুলের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি কমরেড স্বপন বাগচী। জেলা সাধারণ সম্পাদক আবু তোয়াব অপুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম আসাদ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ওপর ন্যক্কারজনক আঘাত। দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সিপিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব আন্দোলনে দলটির বহু নেতাকর্মী রক্ত দিয়েছেন, জীবন উৎসর্গ করেছেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেও সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তিভবন ছিল আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

বক্তারা আরও বলেন, হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন, তাদের এ কর্মকাণ্ড গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীন রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী। হামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা যাবে না। মুক্তিযুদ্ধের আগে কিংবা স্বাধীনতার পর সন্ত্রাসের মাধ্যমে কেউ সিপিবির সংগ্রামকে থামাতে পারেনি।

তারা বলেন, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক ভিত্তি। এসব অধিকার সংকুচিত করে ভিন্নমত দমনের প্রবণতা দেশে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, সরকার এ ঘটনায় বিচারের দায়িত্ব পালন করে কি না, তার ওপর দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে জনগণের পরবর্তী করণীয় নির্ভর করবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মশাল মিছিল

প্রকাশের সময় : ১২:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংঘবদ্ধ হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের ঝিনাইদহ জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের এইচএসএস সড়ক থেকে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওয়াজির আলী স্কুলের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি কমরেড স্বপন বাগচী। জেলা সাধারণ সম্পাদক আবু তোয়াব অপুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম আসাদ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ওপর ন্যক্কারজনক আঘাত। দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সিপিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব আন্দোলনে দলটির বহু নেতাকর্মী রক্ত দিয়েছেন, জীবন উৎসর্গ করেছেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেও সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তিভবন ছিল আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

বক্তারা আরও বলেন, হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন, তাদের এ কর্মকাণ্ড গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীন রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী। হামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা যাবে না। মুক্তিযুদ্ধের আগে কিংবা স্বাধীনতার পর সন্ত্রাসের মাধ্যমে কেউ সিপিবির সংগ্রামকে থামাতে পারেনি।

তারা বলেন, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক ভিত্তি। এসব অধিকার সংকুচিত করে ভিন্নমত দমনের প্রবণতা দেশে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, সরকার এ ঘটনায় বিচারের দায়িত্ব পালন করে কি না, তার ওপর দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে জনগণের পরবর্তী করণীয় নির্ভর করবে।