রাস্তা থেকে তরুণদের ধরে সেনাবাহিনীতে পাঠানোর অভিযোগ, মিয়ানমারজুড়ে আতঙ্ক
- প্রকাশের সময় : ০৩:০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
- / 8
মিয়ানমারে তরুণদের রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা এবং অর্থের বিনিময়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে। সেনাবাহিনীতে লোকবলসংকটের কারণে বাধ্যতামূলক নিয়োগের নির্ধারিত কোটা পূরণে চাপ বাড়ছে। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন দরিদ্র পরিবারের তরুণেরা।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলীয় কারেন রাজ্যের রাজধানী হপা-আনে সন্ধ্যার পর রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন তরুণেরা। বিশেষ করে কিশোর, বিশের কোঠার যুবক ও ত্রিশের কাছাকাছি বয়সী পুরুষদের আটক করে সেনাবাহিনীতে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে।
২৬ বছর বয়সী এক টুকটুকচালক জাও মিন (নিরাপত্তার কারণে ছদ্মনাম) জানান, জীবিকার তাগিদে তাঁকে প্রতিদিন রাস্তায় বের হতে হয়। তবে প্রতিবার বের হওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে সতর্ক করেন, যেন যাত্রী নিয়ে বেশি দূরে না যান এবং অপরিচিত কাউকে গাড়িতে তোলার ক্ষেত্রে সাবধান থাকেন।
জাও মিন বলেন, কাজের জন্য বাইরে যেতে হলেও তিনি সব সময় উদ্বিগ্ন থাকেন। পরিবারের সদস্যরা বারবার ফোন করে সতর্ক করেন। তাঁর পরিচিত কয়েকজনকেও ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জান্তা সরকারের সাদাপোশাকধারী সদস্য ও সমর্থকেরা রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়ে তরুণদের আটক করছেন। বিবিসি বার্মিজের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথি অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রশাসনিক এলাকায় সেনাবাহিনীর নিয়োগের নির্ধারিত কোটা কঠোরভাবে পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী, গণতন্ত্রপন্থী সংগঠন ও বেসামরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জান্তা সরকার ক্রমাগত চাপের মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
নিয়োগের ভয়ে বাড়িঘর ছাড়ছেন তরুণেরা
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এরপর থেকে দেশটিতে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলছে। যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক পরাজয়, সেনাসদস্যদের মনোবল কমে যাওয়া এবং পলায়নের ঘটনা বাড়তে থাকায় ২০২৪ সালে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ আইন কার্যকর করে জান্তা সরকার।
আইন অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষ এবং ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী নারীদের অন্তত দুই বছর সামরিক বাহিনীর অধীনে কাজ করার বিধান রয়েছে। নিয়োগ প্রত্যাখ্যান করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।
মিয়ানমার ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটের সামরিকবিষয়ক কর্মকর্তা ও জান্তা ছেড়ে আসা সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর নাউং ইয়ের মতে, বাধ্যতামূলক নিয়োগ আইন কার্যকর করা অভ্যুত্থানের পর বেসামরিক জনগণের ওপর নেওয়া সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপগুলোর একটি।
গত আড়াই বছরে এ ব্যবস্থায় আনুমানিক এক লাখ তরুণকে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁদের অনেককে জোরজবরদস্তি, চাঁদাবাজি কিংবা অপহরণের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জাও মিন জানান, তাঁর বয়সী অনেক তরুণ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। কেউ প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডে গেছেন, আবার কেউ দূরের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। এলাকায় থাকা অনেক তরুণকে সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফেরার নির্দেশ দিয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।
স্বামীকে সেনাবাহিনীতে ‘বিক্রির’ অভিযোগ
বাধ্যতামূলক নিয়োগ আইনকে কেন্দ্র করে তরুণদের সেনাবাহিনীতে সরবরাহের একটি অবৈধ চক্র গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত কোটা পূরণের চাপের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থের বিনিময়ে তরুণদের এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় হস্তান্তরের ঘটনাও ঘটছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়াঙ্গুনের বাসিন্দা মা মোয়ে সান পান অভিযোগ করেন, তাঁর ৩৩ বছর বয়সী স্বামী ফিও ওয়াইকে অর্থের বিনিময়ে অন্য একটি ওয়ার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
২০২৫ সালের ৮ মে সকালে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর ফিও ওয়াই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে স্ত্রী বিষয়টি তাঁর এক আত্মীয়কে জানান। ওই আত্মীয় স্থানীয় ওয়ার্ড প্রশাসন কার্যালয়ে কাজ করতেন। স্ত্রী তাঁকে স্বামীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করেন।
দুই দিন পর ফিও ওয়াই ফোন করে জানান, তিনি শহরের অন্য প্রান্তে একটি সামরিক নিয়োগকেন্দ্রে রয়েছেন।
মা মোয়ে সান পানের অভিযোগ, তাঁর আত্মীয় প্রথমে ফিও ওয়াইকে ওয়ার্ড প্রশাসন কার্যালয়ে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে তাঁকে অন্য একটি ওয়ার্ডের কাছে ৪০ লাখ কিয়াটের বিনিময়ে হস্তান্তর করা হয়, যাতে ওই ওয়ার্ড সামরিক নিয়োগের নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে পারে। সে সময় ৪০ লাখ কিয়াটের মূল্য ছিল প্রায় ৯০০ মার্কিন ডলার।
স্বামীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে গিয়ে মা মোয়ে সান পান আরও প্রতারণার শিকার হন। কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর স্বামীকে মুক্ত করে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সাড়ে ৪৫ লাখ কিয়াট হাতিয়ে নেন।
যে ওয়ার্ডে ফিও ওয়াইকে পাঠানো হয়েছিল, সেই ওয়ার্ডের প্রশাসক উ মাউং মাউং লুইন বিবিসির কাছে স্বীকার করেন, ফিও ওয়াইকে সামরিক নিয়োগ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকা ছিল। তবে অর্থের বিনিময়ে হস্তান্তরের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
মা মোয়ে সান পান বলেন, স্বামীকে সাহায্য করার কথা বলে কিছু কাগজে সই করানো হয়েছিল বলে ফিও ওয়াই তাঁকে জানিয়েছিলেন। স্বাভাবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় স্বামীকে সামরিক নিয়োগের জন্য বাছাই করা হলে তিনি হয়তো তা মেনে নিতে পারতেন। কিন্তু নিজেদের ওয়ার্ড প্রশাসন কার্যালয় তাঁকে অন্য একটি ওয়ার্ডের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে—এ অভিযোগ মেনে নিতে পারছেন না তিনি।
স্বামীকে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশে দুটি অভিযোগ করেছেন মা মোয়ে সান পান। একটি স্বামীকে সামরিক বাহিনীতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ, অন্যটি মুক্ত করে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাসে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা। তাঁর দাবি, পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করলেও মানব পাচারের অভিযোগ যুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। স্বামী এখন কোথায় আছেন, তা-ও জানেন না তিনি।
কোটা পূরণে অপহরণ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ
সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাউং ইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়োগের কোটা পূরণ করতে নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন কৌশলে তরুণদের আটক করছে। সড়কের তল্লাশিচৌকি, কর্মস্থলে যাতায়াতের পথ, ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন এমনকি বাড়িতে ঢুকেও তরুণদের ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, বাধ্যতামূলক নিয়োগ আইনের আড়ালে এসব জবরদস্তিমূলক আটক ও নিয়োগ কার্যক্রম আধুনিক দাসত্ব এবং মানব পাচারের মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
গত আগস্টের শেষ দিকে ইয়াঙ্গুনে চার তরুণকে অপহরণ করে সামরিক নিয়োগের জন্য বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে অগ্নিনির্বাপণ বিভাগের এক সদস্য ও তাঁর জামাতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই কর্মকর্তা চাকরির সুযোগ দেওয়ার কথা বলে চার তরুণকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান এবং বিশেষভাবে তৈরি আটককক্ষে আটকে রাখেন। ২৫ আগস্ট পুলিশ বাড়িটিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
নাউং ইয়ের অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনের নিম্নপর্যায়ের কর্মকর্তা, সামরিক সদস্য ও অপরাধী চক্র বিভিন্ন কৌশলে তরুণদের ধরে সামরিক বাহিনীতে পাঠাচ্ছে। জনবলসংকটে থাকা সামরিক ইউনিট ও আঞ্চলিক কমান্ডের কাছে তাঁদের হস্তান্তর করা হচ্ছে। আর্থিকভাবে সচ্ছল ব্যক্তিরা নিজেরা নিয়োগ এড়াতে অর্থ দিয়ে তাঁদের পরিবর্তে দরিদ্র পরিবারের তরুণদের পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
দরিদ্র পরিবারের তরুণেরাই বেশি ঝুঁকিতে
আইন অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রাম, ওয়ার্ড বা শহরকে জনসংখ্যার অনুপাতে নির্দিষ্টসংখ্যক নিয়োগপ্রার্থী সরবরাহ করতে হয়। তবে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ এড়ানোর সুযোগ থাকায় বাস্তবে বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ।
সচ্ছল ব্যক্তিরা অর্থ দিয়ে নিজেদের পরিবর্তে অন্য কাউকে সামরিক বাহিনীতে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারছেন। অন্যদিকে দরিদ্র পরিবারের তরুণদের এমন সুযোগ না থাকায় তাঁদেরই বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও ফোর্টিফাই রাইটসের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বেসামরিক মানুষকে অপহরণ করে জোরপূর্বক নিয়োগের অভিযোগ তুলেছে।
গত জুলাইয়ে উন্মুক্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণকারী সংস্থা মিয়ানমার উইটনেস জানায়, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান চেয়ে দেওয়া শত শত বিজ্ঞপ্তি তারা বিশ্লেষণ করেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির সংখ্যা ২০২১ সালে ছিল চারটি, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ৮২টিতে দাঁড়ায়।
গবেষকদের উপসংহারে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের বড় একটি অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে ডেকে পাঠানোর পরিবর্তে আটক, জবরদস্তি ও নিখোঁজ করে দেওয়ার মাধ্যমে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদেরও কিছু জানানো হচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে পুরুষ ও কিশোরের সংখ্যা বেশি।
জনবলসংকটে মরিয়া জান্তা সরকার
সামরিক নিয়োগের ভয়ে তরুণদের পালিয়ে যাওয়া পরিবারগুলোকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলছে। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি ও শ্রমবাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। কেউ সশস্ত্র প্রতিরোধে যোগ দিতে বাড়ি ছাড়ছেন, আবার কেউ নিজ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া এড়াতে দেশত্যাগ করছেন।
দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের মধ্যে তরুণদের অপহরণ ও জোরপূর্বক নিয়োগের আশঙ্কা অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি বাড়াচ্ছে। শ্রমিকসংকটে থাকা অর্থনীতিতে তৈরি হচ্ছে নতুন চাপ। নিরাপত্তার খোঁজে অনেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন।
সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সামরিক অধ্যয়নবিষয়ক শিক্ষক ও গবেষক সানদীপ সিংয়ের মতে, অনিচ্ছুক তরুণদের যুদ্ধে নামানোর জন্য জান্তা সরকারের এটি আরেকটি পদক্ষেপ। তাঁর ভাষায়, এ উদ্যোগ দেশটির গৃহযুদ্ধে জান্তার নাজুক অবস্থারই প্রতিফলন।
তিনি বলেন, নিয়মিত অপহরণের আশঙ্কা মিয়ানমারের তরুণদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত তরুণদের পরিবারকেও এখন প্রতিনিয়ত উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হচ্ছে।
মিয়ানমার ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক আইন ব্যবহার করে নাগরিকদের একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামানোর সুযোগ নিচ্ছেন জান্তা জেনারেলরা।
বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে আসা অভিযোগগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান জনবলসংকট এবং বাধ্যতামূলক নিয়োগব্যবস্থার ভয়াবহ প্রভাবের চিত্র তুলে ধরেছে। সেনাবাহিনীতে লোকবল বাড়ানোর চেষ্টায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের তরুণেরা সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে পড়ছেন।
সূত্র: বিবিসি





















