Dhaka ০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান

একরামুল ইসলাম তুষার, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4

 

ঝিনাইদহের আলোচিত চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগানে মিশন আচার্যের নিজ বাড়িতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাঁর ও তাঁর মা ময়না আচার্যের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে মিশন আচার্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় মেধাক্রমে ১৭তম হন তিনি।

তবে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় তাঁর নিয়োগপত্র আটকে যায়। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

পরে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেন রাশেদ খান। তিনি শিক্ষামন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন এবং মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান ঘটে এবং অবশেষে নিয়োগপত্র হাতে পান মিশন আচার্য।

নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার সময় রাশেদ খান বলেন, ‘মিশন একজন মেধাবী ছাত্র। সে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ১৭তম হয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু স্থায়ী ঠিকানার জটিলতায় তার নিয়োগপত্র আটকে যায়। আজকের এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সেই সমস্যার সফল পরিসমাপ্তি হয়েছে। সবাই মিশনের জন্য দোয়া করবেন।’

এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, ‘আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অর্জন সার্থক হয়েছে।’

নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে মিশন আচার্যের মা ময়না আচার্য আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘এ অনুভূতি ব্যক্ত করার মতো নয়। যে কষ্ট করে তাকে আমি লেখাপড়া করিয়েছি, সেই কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান

প্রকাশের সময় : ০৫:৪০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

 

ঝিনাইদহের আলোচিত চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগানে মিশন আচার্যের নিজ বাড়িতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাঁর ও তাঁর মা ময়না আচার্যের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে মিশন আচার্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় মেধাক্রমে ১৭তম হন তিনি।

তবে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় তাঁর নিয়োগপত্র আটকে যায়। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

পরে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেন রাশেদ খান। তিনি শিক্ষামন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন এবং মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান ঘটে এবং অবশেষে নিয়োগপত্র হাতে পান মিশন আচার্য।

নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার সময় রাশেদ খান বলেন, ‘মিশন একজন মেধাবী ছাত্র। সে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ১৭তম হয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু স্থায়ী ঠিকানার জটিলতায় তার নিয়োগপত্র আটকে যায়। আজকের এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সেই সমস্যার সফল পরিসমাপ্তি হয়েছে। সবাই মিশনের জন্য দোয়া করবেন।’

এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, ‘আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অর্জন সার্থক হয়েছে।’

নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে মিশন আচার্যের মা ময়না আচার্য আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘এ অনুভূতি ব্যক্ত করার মতো নয়। যে কষ্ট করে তাকে আমি লেখাপড়া করিয়েছি, সেই কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে।’