Dhaka ১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রাহকের মৃত্যুতে কিস্তি মওকুফ, আর্থিক সহায়তা দিল ওয়ালটন প্লাজা

এ কে আজাদ, পাংশা
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 21

কিস্তিতে পণ্য কেনার পর গ্রাহকের মৃত্যু হওয়ায় তাঁর বকেয়া কিস্তি মওকুফের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’র আওতায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৃত মো. হালিম সরদারের পরিবার এ সহায়তা পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় পাংশা পৌর শহরের ওয়ালটন প্লাজায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে মৃত গ্রাহকের স্ত্রী ও সন্তানের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন ওয়ালটন প্লাজা কুষ্টিয়া এরিয়ার রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. সাইদূর রহমান। এ সময় রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলম, পাংশা শাখার ম্যানেজার সঞ্জিত গুহ, কুমারখালী শাখার ম্যানেজার মো. মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, চলতি বছর কৃষক মো. হালিম সরদার পাংশা শহরের ওয়ালটন প্লাজা থেকে ১৭ হাজার টাকায় কিস্তিতে একটি পণ্য কেনেন। পরে ৭ হাজার ৭০০ টাকা বাকি থাকা অবস্থায় স্ট্রোকে তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী তাঁর বকেয়া কিস্তি মওকুফ এবং পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

হালিম সরদারের ছেলে সোহান সরদার বলেন, ‘হঠাৎ স্ট্রোক করে আমার আব্বা মারা যান। ওয়ালটন প্লাজা থেকে তিনি একটি এলইডি টেলিভিশন কিনেছিলেন এবং কিছু টাকা বাকি ছিল। বকেয়া টাকার পরিমাণ জানতে শোরুমে ফোন করলে তারা বিস্তারিত জানতে চায়। পরে শোরুমে ডেকে জানানো হয়, আমাদের আর বকেয়া টাকা দিতে হবে না এবং আর্থিক সহায়তাও করা হবে।’

পাংশা ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার সঞ্জিত গুহ বলেন, ‘কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী কিস্তির মেয়াদের মধ্যে মূল ক্রেতার মৃত্যু হলে তাঁর নমিনিকে পণ্যের দামের ওপর ভিত্তি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় এবং বাকি কিস্তি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়। এ নিয়মের আওতায় মো. হালিম সরদারের বকেয়া কিস্তি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে এবং তাঁর নমিনি ও স্ত্রীর হাতে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।’

রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য জরুরি কল সেন্টারের নম্বর দেওয়া হয়। সেখানে ২৪ ঘণ্টা একজন চিকিৎসক গ্রাহকদের চিকিৎসাসংক্রান্ত পরামর্শ দেন। মৃত গ্রাহকের পরিবারে বেকার কেউ থাকলে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়।’

এরিয়ার রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. সাইদূর রহমান বলেন, ‘সারাদেশে সাত হাজারের বেশি গ্রাহক ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য কেনেন। আমাদের প্রায় ৭০০টি নিজস্ব আউটলেট রয়েছে। সেখান থেকে কিস্তি সুরক্ষা সুবিধা দেওয়া হয়। কোনো ক্রেতা বা নমিনি মারা গেলে নীতিমালা অনুযায়ী বাকি কিস্তি মওকুফের পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গ্রাহকের মৃত্যুতে কিস্তি মওকুফ, আর্থিক সহায়তা দিল ওয়ালটন প্লাজা

প্রকাশের সময় : ০৯:০৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিস্তিতে পণ্য কেনার পর গ্রাহকের মৃত্যু হওয়ায় তাঁর বকেয়া কিস্তি মওকুফের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’র আওতায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৃত মো. হালিম সরদারের পরিবার এ সহায়তা পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় পাংশা পৌর শহরের ওয়ালটন প্লাজায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে মৃত গ্রাহকের স্ত্রী ও সন্তানের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন ওয়ালটন প্লাজা কুষ্টিয়া এরিয়ার রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. সাইদূর রহমান। এ সময় রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলম, পাংশা শাখার ম্যানেজার সঞ্জিত গুহ, কুমারখালী শাখার ম্যানেজার মো. মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, চলতি বছর কৃষক মো. হালিম সরদার পাংশা শহরের ওয়ালটন প্লাজা থেকে ১৭ হাজার টাকায় কিস্তিতে একটি পণ্য কেনেন। পরে ৭ হাজার ৭০০ টাকা বাকি থাকা অবস্থায় স্ট্রোকে তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী তাঁর বকেয়া কিস্তি মওকুফ এবং পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

হালিম সরদারের ছেলে সোহান সরদার বলেন, ‘হঠাৎ স্ট্রোক করে আমার আব্বা মারা যান। ওয়ালটন প্লাজা থেকে তিনি একটি এলইডি টেলিভিশন কিনেছিলেন এবং কিছু টাকা বাকি ছিল। বকেয়া টাকার পরিমাণ জানতে শোরুমে ফোন করলে তারা বিস্তারিত জানতে চায়। পরে শোরুমে ডেকে জানানো হয়, আমাদের আর বকেয়া টাকা দিতে হবে না এবং আর্থিক সহায়তাও করা হবে।’

পাংশা ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার সঞ্জিত গুহ বলেন, ‘কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী কিস্তির মেয়াদের মধ্যে মূল ক্রেতার মৃত্যু হলে তাঁর নমিনিকে পণ্যের দামের ওপর ভিত্তি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় এবং বাকি কিস্তি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়। এ নিয়মের আওতায় মো. হালিম সরদারের বকেয়া কিস্তি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে এবং তাঁর নমিনি ও স্ত্রীর হাতে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।’

রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য জরুরি কল সেন্টারের নম্বর দেওয়া হয়। সেখানে ২৪ ঘণ্টা একজন চিকিৎসক গ্রাহকদের চিকিৎসাসংক্রান্ত পরামর্শ দেন। মৃত গ্রাহকের পরিবারে বেকার কেউ থাকলে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়।’

এরিয়ার রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. সাইদূর রহমান বলেন, ‘সারাদেশে সাত হাজারের বেশি গ্রাহক ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য কেনেন। আমাদের প্রায় ৭০০টি নিজস্ব আউটলেট রয়েছে। সেখান থেকে কিস্তি সুরক্ষা সুবিধা দেওয়া হয়। কোনো ক্রেতা বা নমিনি মারা গেলে নীতিমালা অনুযায়ী বাকি কিস্তি মওকুফের পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়।’