জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী
- প্রকাশের সময় : ০৪:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 5
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারকে অনেকটা বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত।
তিনি বলেছেন, চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে যেভাবে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই সংকট প্রতিদিন যে নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে—তাতে সরকারের পক্ষে সামনে এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।
সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি শুধুমাত্র জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে চাই, তাহলে সরকারের চলমান যে সামাজিক নিরাপত্তার কার্যক্রম রয়েছে- সেটি ভীষণভাবে বিঘ্নিত হবে।
তিনি বলেন, বছরে আমাদের ৭০ লাখ মেট্রিক টন তেল আমদানি করতে হয়। এর ৪৫ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল। আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের মূল্য ২০৫ টাকা প্রতি লিটার। মূল্য বৃদ্ধির আগে ডিজেলের মূল্য ছিল ১১৫ টাকা প্রতি লিটার। ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হচ্ছিল প্রতি লিটারে ৯০ টাকা। দাম বৃদ্ধির পরও ডিজেলে ৭০ টাকা প্রতি লিটারে ভর্তুকি দিতে হবে। এই দাম বৃদ্ধি না করা হলে বছরে সরকারকে ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হতো।
তিনি বলেন, আমাদের প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা আমাদের রিজার্ভের প্রধানতম খাত। সেই বৈদেশিক মুদ্রায় ক্রয়কৃত জ্বালানি তেল প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হওয়ার একটা বড় ঝুঁকির মুখে আমরা পড়েছিলাম। সে কারণে সরকারকে এই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। আশা করি, জনগণ এটি বুঝতে সক্ষম হবে।






















