প্রাথমিকের নতুন সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন রোববার
- প্রকাশের সময় : ০১:১৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
- / 5
সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করা নতুন শিক্ষকদের শুভেচ্ছা জানান সহকর্মীরা/ ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর আওতায় নবনিযুক্ত শিক্ষকদের পদায়ন আদেশ আগামীকাল রোববার (১৮ অক্টোবর) জারি করা হবে। এর আগে গত ১১ অক্টোবর এ আদেশ জারির কথা থাকলেও তা এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে পদায়ন আদেশ জারির নতুন তারিখ জানানো হয়। তবে নির্ধারিত তারিখের আগেই ভোলায় লটারি শেষে পদায়ন আদেশ জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, কয়েকটি জেলায় এখনো পদায়নের লটারি অনুষ্ঠিত হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোনো কোনো জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা এরই মধ্যে পদায়নের লটারি সম্পন্ন করেছেন। আবার কিছু জেলায় শনিবার ও রোববার লটারি আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোফাজ্জল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, শনিবার পদায়নের লটারি আয়োজন করা হবে। এতে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। রোববার একই দিনে লটারি ও পদায়ন আদেশ জারির চাপ কমাতে আগেই লটারি আয়োজনের এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এরই মধ্যে লটারি শেষে পদায়ন আদেশ জারি করেছে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, পদায়ন আদেশ জারির নির্ধারিত তারিখ ১৮ অক্টোবর।
এর আগে অধিদপ্তরের নির্দেশনায় ১১ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৮ অক্টোবর পদায়ন আদেশ জারির তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
একই সঙ্গে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের সময় ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ায় এবার পদায়ন আদেশ জারির অপেক্ষায় রয়েছেন নবনিযুক্ত শিক্ষকরা।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। প্রায় ৮ মাস পর ২৪ সেপ্টেম্বর জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়।
পরে আরও কয়েক ধাপে জারি করা এ আদেশের পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তাতে কাগজপত্র জমা দেন ১৩ হাজার ৮৩১ জন। বাকিদের মধ্যে ৫৫২ জন কাগজপত্র জমা দেননি। আরেকজন মারা গেছেন।
এদিকে, কাগজপত্র জমা দিয়ে নিয়োগপত্র হাতে পান ১৩ হাজার ৭৪৮ জন। তাদের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন ১২ হাজার ৮৩০ জন। হিসাব অনুযায়ী- কাগজপত্র জমা দিয়ে নিয়োগপত্র হাতে পেয়েও সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেননি ৯১৮ জন। আর কাগজপত্র জমা দেননি ৫৫৩ জন। সেই হিসাবে ১ হাজার ৪৭১ জন চাকরিতে যোগদানে আগ্রহ দেখাননি।



















