দিল্লিতে বিক্ষোভের পর মুক্তি পেলেন দীপকেসহ সিজেপির তিন নেতা
- প্রকাশের সময় : ১২:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
- / 3
ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার প্রতিবাদ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের সময় আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস।
রোববার (১১ অক্টোবর) দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন দলটির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বছরের জন্য শান্তি ভঙ্গ হতে পারে—এমন কোনো কাজে জড়িত না থাকার শর্তে তাঁদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
নেতাদের মুক্তির খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছে, শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে। পোস্টে দলটি আরও লিখেছে, ‘ককরোচরা কখনো মরে না।’
ভারতের ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দুই দিনব্যাপী আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। রোববার ছিল কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। ওই দিন সকালে তিন নেতাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে শনিবার আন্দোলনের প্রথম দিনে দিল্লি বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইট থেকে তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
আন্দোলন ঘিরে দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে যাওয়ার সব পথ বন্ধ করে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। এতে নির্ধারিত স্থানে মূল জমায়েত ব্যাহত হলে বিক্ষোভকারীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিবাদ জানান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজনীতিক ও সমাজকর্মীসহ তিন হাজারের বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। তাঁদের বড় একটি অংশকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে জনপ্রিয় ইউটিউবকর্মী ধ্রুব রাঠিও ছিলেন। তিনি বিরোধী দল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধীর সমর্থক এবং ভারতের ক্ষমতাসীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
সূত্র: এনডিটিভি।




















