Dhaka ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা ও সড়ক নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ বিলুপ্ত করা হলো ‘পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন’ বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২.১ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নওগাঁয় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঘাড় মটকে হত্যা, কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নেওয়া হয় রাকিবের লাশ নিউমোনিক প্লেগ কী? কতটা ভয়ের কারণ হতে পারে এই রোগ? পানি সহযোগিতা নিয়ে ক‌মি‌টি : ভারতীয় প্রতিনিধিদের নাম চেয়েছে ঢাকা ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাতে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে কড়া নির্দেশনা

বিলুপ্ত করা হলো ‘পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 12

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় বদলের খবর জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার মতে, শিক্ষক নিয়োগে সমতা আনতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হলো ‘মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন’। এখন থেকে সরকারি ও অনুদানপ্রাপ্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের সমস্ত দায়িত্ব সঁপে দেওয়া হলো একমাত্র ‘স্কুল সার্ভিস কমিশন’ বা এসএসসি-র কাঁধে।

বুধবার ইটিভি ভারতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত দেওয়া হয়েছে। সেটিকে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসির সঙ্গে। এখন থেকে রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব সামলাবে একমাত্র এসএসসি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন ৷

শুভেন্দু বলেছেন, ‘মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন তুলে দেওয়া হয়েছে। ওটা স্কুল সার্ভিস কমিশনে মার্জ করে দেওয়া হয়েছে।’ অর্থাৎ, আলাদা করে মাদ্রাসার জন্য আর কোনো পৃথক পরীক্ষা থাকছে না।

তবে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে আইনি বৈধতা দিতে বিধানসভায় নতুন বিল আনতে হবে রাজ্য সরকারকে। পুরোনো মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন আইনকে বাতিল করতে বিধানসভায় বিল পাস করানো জরুরি। শুধু তাই নয়, স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে এই বাড়তি নিয়োগের আইনি পথ প্রশস্ত করতে এসএসসি আইনেও সংশোধনী আনতে হবে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, শিগগির এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় বিল এনে আইনি জট কাটানোর পরেই এই নতুন নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের আগে মাদ্রাসায় নিয়োগের জন্য আলাদা করে কোনো বোর্ড ও পণ্ডিত ছিল না। ২০০৭ সালে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার রাজ্যের ৬১৪টি মাদ্রাসাকে প্রথম সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দেয়। এরপর ২০০৮ সালে তৈরি হয় মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন আইন। তারপর থেকে সেই আইনের ওপর ভিত্তি করেই মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ হয়ে আসছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বদল আনতে চাইছে। সকলের নিয়োগ যাতে একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে হয়, মূলত সেই ভাবনা থেকেই মাদ্রাসা কমিশন তুলে দেওয়ার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

সূত্র: ইটিভি ভারত

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিলুপ্ত করা হলো ‘পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন’

প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় বদলের খবর জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার মতে, শিক্ষক নিয়োগে সমতা আনতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হলো ‘মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন’। এখন থেকে সরকারি ও অনুদানপ্রাপ্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের সমস্ত দায়িত্ব সঁপে দেওয়া হলো একমাত্র ‘স্কুল সার্ভিস কমিশন’ বা এসএসসি-র কাঁধে।

বুধবার ইটিভি ভারতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত দেওয়া হয়েছে। সেটিকে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসির সঙ্গে। এখন থেকে রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব সামলাবে একমাত্র এসএসসি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন ৷

শুভেন্দু বলেছেন, ‘মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন তুলে দেওয়া হয়েছে। ওটা স্কুল সার্ভিস কমিশনে মার্জ করে দেওয়া হয়েছে।’ অর্থাৎ, আলাদা করে মাদ্রাসার জন্য আর কোনো পৃথক পরীক্ষা থাকছে না।

তবে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে আইনি বৈধতা দিতে বিধানসভায় নতুন বিল আনতে হবে রাজ্য সরকারকে। পুরোনো মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন আইনকে বাতিল করতে বিধানসভায় বিল পাস করানো জরুরি। শুধু তাই নয়, স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে এই বাড়তি নিয়োগের আইনি পথ প্রশস্ত করতে এসএসসি আইনেও সংশোধনী আনতে হবে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, শিগগির এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় বিল এনে আইনি জট কাটানোর পরেই এই নতুন নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের আগে মাদ্রাসায় নিয়োগের জন্য আলাদা করে কোনো বোর্ড ও পণ্ডিত ছিল না। ২০০৭ সালে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার রাজ্যের ৬১৪টি মাদ্রাসাকে প্রথম সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দেয়। এরপর ২০০৮ সালে তৈরি হয় মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন আইন। তারপর থেকে সেই আইনের ওপর ভিত্তি করেই মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ হয়ে আসছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বদল আনতে চাইছে। সকলের নিয়োগ যাতে একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে হয়, মূলত সেই ভাবনা থেকেই মাদ্রাসা কমিশন তুলে দেওয়ার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

সূত্র: ইটিভি ভারত