Dhaka ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বালিয়াকান্দিতে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবকের মৃত্যু দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা অনুদান দেবে সরকার ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরে পেমেন্টের টাকা তাৎক্ষণিক জমা সরকারি কর্মচারীরা তদবির করলে বিভাগীয় ব্যবস্থা, সংরক্ষণ করা হবে ডোসিয়ারেও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাহিন্দ্রা ও সিএনজিকে ধাক্কা দিয়ে উল্টে গেল বাস, নিহত ২ ছুটির দিনে সকালে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ডিমের দাম কিছুটা কমলেও স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে পেজেশকিয়ান ও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাকে ভিসা দিলো যুক্তরাষ্ট্র জরায়ু অপসারণের পর দীর্ঘ সংগ্রাম, অবশেষে মাতৃত্বের স্বাদ পেলেন লেনা ডানহাম

সতীনকে ‘মা’ ডাকায় কোলের শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17

টাঙ্গাইলের সখীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত দুই সন্তানের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে মা আকলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাড়ে তিন বছর বয়সী শিশু মো. আশরাফুল নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৯ বছর বয়সী সিরজাতুন। গুরুতর আহত অবস্থায় সে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের খালিয়াড়বাইদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহত দুই শিশু ওই এলাকার মো. শাহীন মিয়ার সন্তান। অভিযুক্ত আকলিমা আক্তার শাহীনের দ্বিতীয় স্ত্রী।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শাহীন মিয়া ও আকলিমা আক্তারের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার গভীর রাতে ওই বিরোধের একপর্যায়ে আকলিমা ধারালো ছুরি দিয়ে ঘুমন্ত দুই শিশুকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

পরে রক্তাক্ত অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাড়ে তিন বছর বয়সী আশরাফুলকে মৃত ঘোষণা করে। গুরুতর আহত সিরজাতুনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন।

খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত শিশুর মরদেহ ও অভিযুক্ত আকলিমা আক্তারকে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক সুরতহালসহ আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পেছনের মূল কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলটি দুই থানার সীমানা সংক্রান্ত এলাকায় হওয়ায় মামলা দায়েরের বিষয়ে কিছুটা জটিলতা রয়েছে। সীমানা নির্ধারণের পর এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সতীনকে ‘মা’ ডাকায় কোলের শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের সখীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত দুই সন্তানের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে মা আকলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাড়ে তিন বছর বয়সী শিশু মো. আশরাফুল নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৯ বছর বয়সী সিরজাতুন। গুরুতর আহত অবস্থায় সে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের খালিয়াড়বাইদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহত দুই শিশু ওই এলাকার মো. শাহীন মিয়ার সন্তান। অভিযুক্ত আকলিমা আক্তার শাহীনের দ্বিতীয় স্ত্রী।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শাহীন মিয়া ও আকলিমা আক্তারের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার গভীর রাতে ওই বিরোধের একপর্যায়ে আকলিমা ধারালো ছুরি দিয়ে ঘুমন্ত দুই শিশুকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

পরে রক্তাক্ত অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাড়ে তিন বছর বয়সী আশরাফুলকে মৃত ঘোষণা করে। গুরুতর আহত সিরজাতুনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন।

খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত শিশুর মরদেহ ও অভিযুক্ত আকলিমা আক্তারকে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক সুরতহালসহ আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পেছনের মূল কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলটি দুই থানার সীমানা সংক্রান্ত এলাকায় হওয়ায় মামলা দায়েরের বিষয়ে কিছুটা জটিলতা রয়েছে। সীমানা নির্ধারণের পর এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।