Dhaka ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ৮ ট্যাংকারে হামলা চালাল ইরান কারাগারে বাবা, তিন অবুঝ সন্তানকে রেখে উধাও মা মাধ্যমিকের সব শিক্ষকের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা ৫ ইরানি ট্যাংকারে বোমাবর্ষণ যুক্তরাষ্ট্রের, জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের জাতিসংঘের সংস্কার খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি: খলিলুর রহমান জাককানইবিতে ‘UCB Career Connect’ সেমিনার আমিরাতকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, সামনে ভারত আওয়ামী লীগ প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘরবাড়ি-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে ‘ডাবল শিফট’ চালু করবে না সরকার

হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ৮ ট্যাংকারে হামলা চালাল ইরান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2

আরও বড় পরিসরে মার্কিনি বাহিনীকে পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে।

ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের এই বাহিনী। একই সঙ্গে হরমুজে আরও ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজ’ লক্ষ্যবস্তু করার দাবিও করেছে তারা।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি এসব তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় জাহাজগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি বলেছে, ‘মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর আগ্রাসন ও শত্রুতার’ জবাব দিতেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইরানের এই বাহিনী আরও দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজকে’ লক্ষ্যবস্তু করেছে। এসব জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানি ও সহযোগিতায়’ প্রণালিটির ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ অঞ্চল’ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ করেছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালি এখনো আইআরজিসির ‘কঠোর ও কার্যকর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের’ মধ্যে রয়েছে। এর আগে মার্কিন নৌবাহিনীর ডিডিজি-১১৯ ও ডিডিজি-৫৩ ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবিও করেছে ইরানের এই বাহিনী। তাদের দাবি, ওই হামলায় জাহাজ দুটিতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত দুই দিনে আইআরজিসি একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুবার হামলার চেষ্টা করেছিল। জাহাজটি অবশ্য ‘সফলভাবে ইরানের হামলা এড়িয়ে যায়’ বলে দাবি করেছে সেন্টকম। তাদের ভাষ্য, এতে কোনো মার্কিন সেনা বা কর্মী আহত হননি।

এরপর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সেন্টকম। হামলার শিকার ট্যাংকারগুলোর মধ্যে রয়েছে এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন-১ ও এম/টি রিয়েস্কো। এসব জাহাজ ওমান উপসাগরে অবস্থান করছিল। এ ছাড়া খার্গ দ্বীপের কাছে এম/টি দেরিয়া নামের আরও একটি ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়।

সেন্টকম জানিয়েছে, হামলার আগে মার্কিন বাহিনী ট্যাংকারগুলোর কর্মীদের জাহাজ থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর জাহাজগুলোতে হামলা চালানো হয় এবং সেগুলো অচল হয়ে যায়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ৮ ট্যাংকারে হামলা চালাল ইরান

প্রকাশের সময় : ১০:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আরও বড় পরিসরে মার্কিনি বাহিনীকে পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে।

ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের এই বাহিনী। একই সঙ্গে হরমুজে আরও ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজ’ লক্ষ্যবস্তু করার দাবিও করেছে তারা।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি এসব তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় জাহাজগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি বলেছে, ‘মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর আগ্রাসন ও শত্রুতার’ জবাব দিতেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইরানের এই বাহিনী আরও দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজকে’ লক্ষ্যবস্তু করেছে। এসব জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানি ও সহযোগিতায়’ প্রণালিটির ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ অঞ্চল’ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ করেছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালি এখনো আইআরজিসির ‘কঠোর ও কার্যকর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের’ মধ্যে রয়েছে। এর আগে মার্কিন নৌবাহিনীর ডিডিজি-১১৯ ও ডিডিজি-৫৩ ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবিও করেছে ইরানের এই বাহিনী। তাদের দাবি, ওই হামলায় জাহাজ দুটিতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত দুই দিনে আইআরজিসি একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুবার হামলার চেষ্টা করেছিল। জাহাজটি অবশ্য ‘সফলভাবে ইরানের হামলা এড়িয়ে যায়’ বলে দাবি করেছে সেন্টকম। তাদের ভাষ্য, এতে কোনো মার্কিন সেনা বা কর্মী আহত হননি।

এরপর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সেন্টকম। হামলার শিকার ট্যাংকারগুলোর মধ্যে রয়েছে এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন-১ ও এম/টি রিয়েস্কো। এসব জাহাজ ওমান উপসাগরে অবস্থান করছিল। এ ছাড়া খার্গ দ্বীপের কাছে এম/টি দেরিয়া নামের আরও একটি ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়।

সেন্টকম জানিয়েছে, হামলার আগে মার্কিন বাহিনী ট্যাংকারগুলোর কর্মীদের জাহাজ থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর জাহাজগুলোতে হামলা চালানো হয় এবং সেগুলো অচল হয়ে যায়।