Dhaka ০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে প্রথম দিনে ৬ হাজার গ্রাহক পেলেন ২৫০ কোটি টাকা আপিল বিভাগে বাগবিতণ্ডা, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাস কর ছাড় কাজাখস্তানকে ৪-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ রাজবাড়ীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা ‘বেঁচে থাকতে কেউ সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টা পরই বিএনপি নেতার মৃত্যু শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর সাক্ষরতার হার বাড়লেও দেশের পৌনে ৪ কোটি মানুষ নিরক্ষর ১০ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি ঢাকাতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাস কর ছাড়

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 4

দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ছয় মাসের কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে অর্থ ও বাণিজ্যসংক্রান্ত তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ আমদানিতে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন বা ছয় মাস পর্যন্ত ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, এ সুবিধার ফলে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে বিদ্যুৎ ঘাটতি কমার পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন সচল রাখা, উৎপাদন ব্যয় ও যন্ত্রপাতির ক্ষতি কমানো এবং বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও রাজস্ব ঘাটতি কমাতে নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ড রোল ব্যবহার বিধিমালা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি সইয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। ১০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে জানানো হয়েছে।

চুক্তি সইয়ের তিন বছর পর উভয় পক্ষ তা সংশোধনের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের ষষ্ঠ বৃহত্তম উৎস হংকং। এ চুক্তির মাধ্যমে পোশাক ও বস্ত্রসহ বিভিন্ন খাতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও শিল্পায়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র : বাসস

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাস কর ছাড়

প্রকাশের সময় : ০১:৫১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ছয় মাসের কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে অর্থ ও বাণিজ্যসংক্রান্ত তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ আমদানিতে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন বা ছয় মাস পর্যন্ত ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, এ সুবিধার ফলে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে বিদ্যুৎ ঘাটতি কমার পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন সচল রাখা, উৎপাদন ব্যয় ও যন্ত্রপাতির ক্ষতি কমানো এবং বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও রাজস্ব ঘাটতি কমাতে নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ড রোল ব্যবহার বিধিমালা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি সইয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। ১০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে জানানো হয়েছে।

চুক্তি সইয়ের তিন বছর পর উভয় পক্ষ তা সংশোধনের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের ষষ্ঠ বৃহত্তম উৎস হংকং। এ চুক্তির মাধ্যমে পোশাক ও বস্ত্রসহ বিভিন্ন খাতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও শিল্পায়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র : বাসস