Dhaka ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট ৯৫০ ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে আবার হামের টিকা পাবে শিশুরা রংপুরের ঘটনা সবাইকে কাঁদিয়েছে, অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেফতার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা আদালতে পাঠানো হয়েছে বিদিশা সিদ্দিককে সবজির সরবরাহ কম, চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা এবার যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে শুল্কারোপের ঘোষণা কানাডার বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার স্থগিত পাকিস্তানে সরকারি হাসপাতালে আগুন, পুড়ে মরল ১৫ নবজাতক ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর

সবজির সরবরাহ কম, চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 13

 

বৃষ্টি ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বাজারে বেশির ভাগ সবজির দাম চড়া। পেঁপে ও কাঁচকলা ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই ৭০ টাকা কেজির ওপরে বিক্রি হচ্ছে। সরকারি ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি বাড়লেও বাড়তি দামের কারণে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন তারা।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, রাইয়ানখোলা, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুরের একাধিক বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং এক হালি কাঁচকলা একই দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কচুমুখী ৮০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঝিঙা ও করলা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। শিমের দাম সবচেয়ে বেশি—প্রতি কেজি ২০০ টাকা। গাজর ও টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

রাইয়ানখোলা বাজারের ব্যবসায়ী মিজানুল আলম বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পাইকারি বাজারেও সরবরাহ কমেছে। এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে সবজির দাম কমবেশি হয় বলেও জানান তিনি।

মিরপুর-৬ নম্বরের কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মোয়াজ্জেম বলেন, শীতের মৌসুমে সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকে। অন্য সময় সাধারণত ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বেশির ভাগ সবজি পাওয়া যায়।

সবজি কিনতে আসা রাবেয়া বেগম বলেন, ‘আগে কম টাকায় এক ব্যাগ সবজি কিনতাম। এখন এক ব্যাগ টাকা দিয়েও সবজিতে ব্যাগ ভরে না। দেশে উৎপাদিত প্রায় সব সবজির দামই বেশি। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করায় সাধারণ ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

আরেক ক্রেতা ফাতিহা ইসলাম বলেন, ‘২০ থেকে ৩০ টাকার নিচে কোনো শাক পাওয়া যায় না। দুই-তিন পদ সবজি কিনতেই ২০০ টাকার বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে। ফলে এক হাজার টাকার বাজারে সামান্য পণ্য নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সবজির সরবরাহ কম, চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা

প্রকাশের সময় : ০২:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

বৃষ্টি ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বাজারে বেশির ভাগ সবজির দাম চড়া। পেঁপে ও কাঁচকলা ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই ৭০ টাকা কেজির ওপরে বিক্রি হচ্ছে। সরকারি ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি বাড়লেও বাড়তি দামের কারণে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন তারা।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, রাইয়ানখোলা, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুরের একাধিক বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং এক হালি কাঁচকলা একই দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কচুমুখী ৮০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঝিঙা ও করলা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। শিমের দাম সবচেয়ে বেশি—প্রতি কেজি ২০০ টাকা। গাজর ও টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

রাইয়ানখোলা বাজারের ব্যবসায়ী মিজানুল আলম বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পাইকারি বাজারেও সরবরাহ কমেছে। এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে সবজির দাম কমবেশি হয় বলেও জানান তিনি।

মিরপুর-৬ নম্বরের কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মোয়াজ্জেম বলেন, শীতের মৌসুমে সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকে। অন্য সময় সাধারণত ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বেশির ভাগ সবজি পাওয়া যায়।

সবজি কিনতে আসা রাবেয়া বেগম বলেন, ‘আগে কম টাকায় এক ব্যাগ সবজি কিনতাম। এখন এক ব্যাগ টাকা দিয়েও সবজিতে ব্যাগ ভরে না। দেশে উৎপাদিত প্রায় সব সবজির দামই বেশি। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করায় সাধারণ ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

আরেক ক্রেতা ফাতিহা ইসলাম বলেন, ‘২০ থেকে ৩০ টাকার নিচে কোনো শাক পাওয়া যায় না। দুই-তিন পদ সবজি কিনতেই ২০০ টাকার বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে। ফলে এক হাজার টাকার বাজারে সামান্য পণ্য নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।’