Dhaka ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:২২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 63

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকে আইএসবিরোধী বৈশ্বিক জোটের অভিযান শেষ হওয়ার পথে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক থেকে সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করা হবে। এ সময়সীমা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর ইরাকের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন হবে, কারণ ওই দিন থেকে দেশটিতে আর কোনো বিদেশি সেনার উপস্থিতি থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার জেনারেল ব্র্যাড কুপারের বৈঠকের ভিত্তিতে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকেই সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাক পরস্পরের সার্বভৌমত্ব এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের প্রতি সম্মান জানাবে। পাশাপাশি অর্থনীতি ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও জোরদারে মনোযোগ দেবে দুই দেশ।

২০০৩ সালে ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাত করতে দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ মার্কিন বাহিনী ইরাকে অভিযান শুরু করে। অভিযানের প্রায় নয় মাস পর সাদ্দাম হোসেন গ্রেপ্তার হন। প্রায় তিন বছর বিচার চলার পর ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর পর মার্কিন বাহিনীর ইরাক ত্যাগের কথা থাকলেও দেশটিতে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএসের উত্থান ঘটে। ফলে আইএস নির্মূলের লক্ষ্যে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের কাছে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক ও জোটের অংশীদাররা আইএসকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বর্তমানে ইরাকে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো মোকাবিলায় ইরাকি সেনাবাহিনী যথেষ্ট সক্ষম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে ইরাকে বর্তমানে কতজন মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন, সে সংখ্যা প্রকাশ করেননি ওই কর্মকর্তা।

সূত্র: আলজাজিরা

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের সময় : ১১:২২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকে আইএসবিরোধী বৈশ্বিক জোটের অভিযান শেষ হওয়ার পথে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক থেকে সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করা হবে। এ সময়সীমা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর ইরাকের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন হবে, কারণ ওই দিন থেকে দেশটিতে আর কোনো বিদেশি সেনার উপস্থিতি থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার জেনারেল ব্র্যাড কুপারের বৈঠকের ভিত্তিতে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকেই সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাক পরস্পরের সার্বভৌমত্ব এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের প্রতি সম্মান জানাবে। পাশাপাশি অর্থনীতি ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও জোরদারে মনোযোগ দেবে দুই দেশ।

২০০৩ সালে ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাত করতে দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ মার্কিন বাহিনী ইরাকে অভিযান শুরু করে। অভিযানের প্রায় নয় মাস পর সাদ্দাম হোসেন গ্রেপ্তার হন। প্রায় তিন বছর বিচার চলার পর ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর পর মার্কিন বাহিনীর ইরাক ত্যাগের কথা থাকলেও দেশটিতে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএসের উত্থান ঘটে। ফলে আইএস নির্মূলের লক্ষ্যে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের কাছে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক ও জোটের অংশীদাররা আইএসকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বর্তমানে ইরাকে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো মোকাবিলায় ইরাকি সেনাবাহিনী যথেষ্ট সক্ষম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে ইরাকে বর্তমানে কতজন মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন, সে সংখ্যা প্রকাশ করেননি ওই কর্মকর্তা।

সূত্র: আলজাজিরা