Dhaka ০৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ট্রেন চালু, ঢাকা টু গোপালগঞ্জ খরচ মাত্র ১৪৫ টাকা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১১:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 20

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গোপালগঞ্জ ও রাজধানীর মধ্যে সূচিত হলো সরাসরি রেল যোগাযোগের নতুন অধ্যায়। চালু হয়েছে সরাসরি ট্রেন সার্ভিস অভিযাত্রী কমিউটার।

সড়কপথের ভোগান্তি ও বাড়তি খরচের বিপরীতে মাত্র ১৪৫ টাকায় ঢাকায় যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা। তবে একই দিনে যাতায়াত নিশ্চিত করতে সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের দাবিও রয়েছে যাত্রী সাধারণের।

পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে বিপ্লব এলেও, ঢাকা পৌঁছাতে গোপালগঞ্জবাসীর নির্ভর করতে হতো বাসের ওপর। সেই অপেক্ষার ইতি টেনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘুরল ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ এর চাকা।

গতকাল রাজধানীর কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জে পৌঁছালে সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।

প্রায় ৭০০ আসন ক্ষমতার এই ট্রেনে যাতায়াতে বদলে যাবে স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের অর্থনীতি। যেখানে সড়কপথে ঢাকা পৌঁছাতে ব্যয় হতো ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, সেখানে রেলে মাত্র ১৪৫ টাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।​শুধু যাত্রী পরিবহনই নয়; গোপালগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলা বাগেরহাট পিরোজপুরের উৎপাদিত কৃষিপণ্য কম খরচে ঢাকার বাজারে পৌঁছাতেও এ রেলসেবা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।​

তবে ট্রেন চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস থাকলেও, এর বর্তমান সময়সূচি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। গোপালগঞ্জ থেকে সকালে ছেড়ে গিয়ে ঢাকায় কাজ শেষে রাতে ফেরার মতো সময়সূচি পুনর্নির্ধারণের দাবি তাদের।​ যাত্রীসেবার মান বাড়াতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান ৩ জন সাংসদ সদস্য।

শনিবার ব্যতীত প্রতিদিন বেলা সাড়ে ৩টায় কমলাপুর থেকে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গোপালগঞ্জ থেকে রাজধানীর উদ্দেশ্যে ছাড়বে ট্রেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ, কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনটি উদ্বোধন করেন রেল মন্ত্রলয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম (এমপি)। পরে গোপালগঞ্জের ১,২ ও ৩ আসনের সাংসদ সেলিমুজজামান সেলিম এস এম জিলানী ও ডাঃ কে এম বাবর ট্রেনে চড়ে গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছায়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অবশেষে ট্রেন চালু, ঢাকা টু গোপালগঞ্জ খরচ মাত্র ১৪৫ টাকা

প্রকাশের সময় : ১১:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গোপালগঞ্জ ও রাজধানীর মধ্যে সূচিত হলো সরাসরি রেল যোগাযোগের নতুন অধ্যায়। চালু হয়েছে সরাসরি ট্রেন সার্ভিস অভিযাত্রী কমিউটার।

সড়কপথের ভোগান্তি ও বাড়তি খরচের বিপরীতে মাত্র ১৪৫ টাকায় ঢাকায় যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা। তবে একই দিনে যাতায়াত নিশ্চিত করতে সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের দাবিও রয়েছে যাত্রী সাধারণের।

পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে বিপ্লব এলেও, ঢাকা পৌঁছাতে গোপালগঞ্জবাসীর নির্ভর করতে হতো বাসের ওপর। সেই অপেক্ষার ইতি টেনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘুরল ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ এর চাকা।

গতকাল রাজধানীর কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জে পৌঁছালে সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।

প্রায় ৭০০ আসন ক্ষমতার এই ট্রেনে যাতায়াতে বদলে যাবে স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের অর্থনীতি। যেখানে সড়কপথে ঢাকা পৌঁছাতে ব্যয় হতো ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, সেখানে রেলে মাত্র ১৪৫ টাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।​শুধু যাত্রী পরিবহনই নয়; গোপালগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলা বাগেরহাট পিরোজপুরের উৎপাদিত কৃষিপণ্য কম খরচে ঢাকার বাজারে পৌঁছাতেও এ রেলসেবা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।​

তবে ট্রেন চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস থাকলেও, এর বর্তমান সময়সূচি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। গোপালগঞ্জ থেকে সকালে ছেড়ে গিয়ে ঢাকায় কাজ শেষে রাতে ফেরার মতো সময়সূচি পুনর্নির্ধারণের দাবি তাদের।​ যাত্রীসেবার মান বাড়াতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান ৩ জন সাংসদ সদস্য।

শনিবার ব্যতীত প্রতিদিন বেলা সাড়ে ৩টায় কমলাপুর থেকে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গোপালগঞ্জ থেকে রাজধানীর উদ্দেশ্যে ছাড়বে ট্রেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ, কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনটি উদ্বোধন করেন রেল মন্ত্রলয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম (এমপি)। পরে গোপালগঞ্জের ১,২ ও ৩ আসনের সাংসদ সেলিমুজজামান সেলিম এস এম জিলানী ও ডাঃ কে এম বাবর ট্রেনে চড়ে গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছায়।