Dhaka ০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু লন্ডনের রাস্তায় আমিরাতের প্রধানমন্ত্রীকে চরম অপমান! ভিডিও ভাইরাল রামদা ঠেকিয়ে এমপির বাড়ি-জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ, সৎভাইদের বিরুদ্ধে মামলা অতীতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়েছে : তথ্য উপদেষ্টা অভিনয় ছাড়ছেন না হাসান মাসুদ, বললেন ‘ওই কথা বলাটা আমার ভুল হয়েছে’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ  নওগাঁয় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সাকিব আল হাসান পচে যাওয়া মানুষ : তথ্য উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, বাতিল ১ লাখ ৭৫ হাজার

আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 3

মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) আবেদন এবং আসামির আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

মামলার প্রধান আসামি শিশু আছিয়ার বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। একই রায়ে অপর তিন আসামি—আছিয়ার বোনের জামাই সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর মামলার যাবতীয় নথি মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু

প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) আবেদন এবং আসামির আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

মামলার প্রধান আসামি শিশু আছিয়ার বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। একই রায়ে অপর তিন আসামি—আছিয়ার বোনের জামাই সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর মামলার যাবতীয় নথি মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।