Dhaka ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • / 113

ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। প্রথম দিনে কসাই সংকট, উপযুক্ত স্থান না পাওয়া কিংবা ব্যক্তিগত নানা কারণে যারা কোরবানি দিতে পারেননি, তাদের অনেকেই শুক্রবার কোরবানি সম্পন্ন করেন।

সকাল থেকেই উত্তরা, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকা, মিরপুর, মান্ডা, বাড্ডা ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের দৃশ্য দেখা যায়। কোথাও পরিবার-পরিজন মিলে মাংস ভাগ-বাটোয়ারা করেছেন, আবার কোথাও কসাইদের সহায়তায় পশু প্রস্তুতের কাজ চলতে দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের প্রথম দিনে অতিরিক্ত চাপ থাকায় অনেকেই কসাই পাননি। এছাড়া নির্ধারিত স্থানে দীর্ঘ অপেক্ষা ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণেও অনেকে কোরবানি পিছিয়ে দেন। দ্বিতীয় দিনে চাপ কিছুটা কমে আসায় তুলনামূলক স্বস্তিতে কোরবানি সম্পন্ন করতে পারছেন নগরবাসী।

এদিকে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা মৌসুমি কসাইরাও কোরবানির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাঝারি ও বড় আকৃতির একটি গরু প্রস্তুতে কসাইদের মজুরি নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে ছাগল প্রস্তুতে নেওয়া হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও তৎপর দেখা গেছে।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী ঈদুল আজহার প্রথম দিন থেকে শুরু করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন পর্যন্ত কোরবানি করা যায়। এ কারণে প্রতি বছরই ঈদের পরের দুই দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির কার্যক্রম চলতে দেখা যায়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঢাকায় ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। প্রথম দিনে কসাই সংকট, উপযুক্ত স্থান না পাওয়া কিংবা ব্যক্তিগত নানা কারণে যারা কোরবানি দিতে পারেননি, তাদের অনেকেই শুক্রবার কোরবানি সম্পন্ন করেন।

সকাল থেকেই উত্তরা, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকা, মিরপুর, মান্ডা, বাড্ডা ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের দৃশ্য দেখা যায়। কোথাও পরিবার-পরিজন মিলে মাংস ভাগ-বাটোয়ারা করেছেন, আবার কোথাও কসাইদের সহায়তায় পশু প্রস্তুতের কাজ চলতে দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের প্রথম দিনে অতিরিক্ত চাপ থাকায় অনেকেই কসাই পাননি। এছাড়া নির্ধারিত স্থানে দীর্ঘ অপেক্ষা ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণেও অনেকে কোরবানি পিছিয়ে দেন। দ্বিতীয় দিনে চাপ কিছুটা কমে আসায় তুলনামূলক স্বস্তিতে কোরবানি সম্পন্ন করতে পারছেন নগরবাসী।

এদিকে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা মৌসুমি কসাইরাও কোরবানির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাঝারি ও বড় আকৃতির একটি গরু প্রস্তুতে কসাইদের মজুরি নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে ছাগল প্রস্তুতে নেওয়া হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও তৎপর দেখা গেছে।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী ঈদুল আজহার প্রথম দিন থেকে শুরু করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন পর্যন্ত কোরবানি করা যায়। এ কারণে প্রতি বছরই ঈদের পরের দুই দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির কার্যক্রম চলতে দেখা যায়।