Dhaka ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহাসড়কে গরুর হাট-বাজার বসতে দেওয়া হবে না : মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / 119

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, মহাসড়কের পাশে গরুর হাট ও বাজার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। পাশাপাশি মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আয়োজিত এক গণসচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশে অবৈধ হাট-বাজার বা পশুর হাট বসলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আগেভাগেই এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিআরটি প্রকল্পটি ত্রুটিযুক্ত ছিল এবং বাস চলাচলবান্ধব নয়। এই প্রকল্পে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে। অন্য প্রস্তাব হলো প্রকল্পটি ভেঙে অপসারণ করা। এ দুটি প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ঈদের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সভায় মন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রায় হাজার হাজার মানুষ যাতে নিরাপদে ও স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হওয়ায় এখানে যানজট ও ভোগান্তি কমাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মহাসড়কে গরুর হাট-বাজার বসতে দেওয়া হবে না : মন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১২:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, মহাসড়কের পাশে গরুর হাট ও বাজার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। পাশাপাশি মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আয়োজিত এক গণসচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশে অবৈধ হাট-বাজার বা পশুর হাট বসলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আগেভাগেই এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিআরটি প্রকল্পটি ত্রুটিযুক্ত ছিল এবং বাস চলাচলবান্ধব নয়। এই প্রকল্পে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে। অন্য প্রস্তাব হলো প্রকল্পটি ভেঙে অপসারণ করা। এ দুটি প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ঈদের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সভায় মন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রায় হাজার হাজার মানুষ যাতে নিরাপদে ও স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হওয়ায় এখানে যানজট ও ভোগান্তি কমাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।