Dhaka ১০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা নিজেদের নয়, অন্যের স্ত্রীদের নিয়ে হোটেলে গিয়েছিলেন গাজীপুরের দুই ইমাম জুলাইয়ের রক্তঋণ শোধ হবে সততা ও নৈতিকতার চর্চায়, শুধু বক্তৃতায় নয়: জাবি উপাচার্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সোহেল রানা মিথ্যা মামলা দিয়ে হিরো আলমকে দমানো যাবে না: হিরো আলম ৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযান: ৫ আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫ কালীগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করলেন এএসপি দেবব্রত সরকার গোপালগঞ্জে পুকুর থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী-শ্বশুর আটক

মিরপুর টেস্ট : প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / 84

একটা সময় মনে হচ্ছিল, চারশ ছোঁয়াই কঠিন হয়ে যাবে। তবে তাসকিন আহমেদের ঝড়ে ভালোভাবেই ৪০০ পার করেছে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে টাইগাররা।

এর আগে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম দশ ওভার মুশফিকুর রহিম আর লিটন দাস দেখেশুনে কাটিয়ে দেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোর্ডে ৩৩৮ রান উঠতেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে ফেরেন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ৩৩ রানে অফস্টাম্পের বেশ বাইরের বল টেনে মারতে গিয়ে মিড অনে ধরা পড়েন তিনি।

আব্বাসের তৃতীয় শিকার হন মেহেদী হাসান মিরাজ (১০)। অফস্টাম্পের বাইরের বল পয়েন্ট দিয়ে বের করে দিতে চেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু আটকা পড়েন ইমাম-উল-হকের হাতে। তার বিদায়ে ৩৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তাইজুল ইসলামও মুশফিককে সঙ্গ দিতে পারেননি। আব্বাসের বাউন্সি ডেলিভারিতে চোখ বুজে ব্যাট চালিয়েছিলেন। বল চলে যায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ২৩ বলে ১৭ করেন তাইজুল। ৭ উইকেটে ৩৮০ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতির পর তৃতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরেন ৩৯তম জন্মদিনে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি তুলে নেওয়া মুশফিক। শাহিন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। ১৭৯ বলে তার ধৈর্যশীল ৭১ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি বাউন্ডারির মার।

এবাদত হোসেন রানের খাতা খুলতে পারেননি। তাকে শূন্য রানে ফিরিয়ে নিজের ৫ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৩৮৪ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে চারশ হবে কিনা, সেটি নিয়ে ছিল সংশয়। তবে তাসকিন আহমেদের ব্যাটে ৪০০ রানের গণ্ডি পার করে টাইগাররা। মোহাম্মদ আব্বাসকে ছক্কা মেরেই দলের চারশ পূর্ণ করেন তাসকিন। শেষ পর্যন্ত ১৯ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় শাহিন আফ্রিদির বলে দ্বিতীয় স্লিপে সউদ শাকিলের দুর্দান্ত ক্যাচ হন তিনি। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন নাহিদ রানা।

পাকিস্তানের মোহাম্মদ আব্বাস ৫টি আর শাহিন আফ্রিদি নেন ৩টি উইকেট।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মিরপুর টেস্ট : প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০১:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

একটা সময় মনে হচ্ছিল, চারশ ছোঁয়াই কঠিন হয়ে যাবে। তবে তাসকিন আহমেদের ঝড়ে ভালোভাবেই ৪০০ পার করেছে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে টাইগাররা।

এর আগে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম দশ ওভার মুশফিকুর রহিম আর লিটন দাস দেখেশুনে কাটিয়ে দেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোর্ডে ৩৩৮ রান উঠতেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে ফেরেন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ৩৩ রানে অফস্টাম্পের বেশ বাইরের বল টেনে মারতে গিয়ে মিড অনে ধরা পড়েন তিনি।

আব্বাসের তৃতীয় শিকার হন মেহেদী হাসান মিরাজ (১০)। অফস্টাম্পের বাইরের বল পয়েন্ট দিয়ে বের করে দিতে চেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু আটকা পড়েন ইমাম-উল-হকের হাতে। তার বিদায়ে ৩৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তাইজুল ইসলামও মুশফিককে সঙ্গ দিতে পারেননি। আব্বাসের বাউন্সি ডেলিভারিতে চোখ বুজে ব্যাট চালিয়েছিলেন। বল চলে যায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ২৩ বলে ১৭ করেন তাইজুল। ৭ উইকেটে ৩৮০ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতির পর তৃতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরেন ৩৯তম জন্মদিনে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি তুলে নেওয়া মুশফিক। শাহিন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। ১৭৯ বলে তার ধৈর্যশীল ৭১ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি বাউন্ডারির মার।

এবাদত হোসেন রানের খাতা খুলতে পারেননি। তাকে শূন্য রানে ফিরিয়ে নিজের ৫ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৩৮৪ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে চারশ হবে কিনা, সেটি নিয়ে ছিল সংশয়। তবে তাসকিন আহমেদের ব্যাটে ৪০০ রানের গণ্ডি পার করে টাইগাররা। মোহাম্মদ আব্বাসকে ছক্কা মেরেই দলের চারশ পূর্ণ করেন তাসকিন। শেষ পর্যন্ত ১৯ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় শাহিন আফ্রিদির বলে দ্বিতীয় স্লিপে সউদ শাকিলের দুর্দান্ত ক্যাচ হন তিনি। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন নাহিদ রানা।

পাকিস্তানের মোহাম্মদ আব্বাস ৫টি আর শাহিন আফ্রিদি নেন ৩টি উইকেট।