Dhaka ০৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি : ইন্টারনেট বন্ধ, আটক সাতশ’র বেশি সরকার দেশকে মরুভূমির হাত থেকে রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কালুখালীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ মামলার পর জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেফতার না ফেরার দেশে ‘বীরাঙ্গনা’ ফুলমতি, শেষ হলো ৪৫ বছরের স্বীকৃতির লড়াই কৌতূহলের বশে ভিমরুলের চাকে পাটখড়ির খোঁচা, কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু এসএ২০ নিলামে একমাত্র বাংলাদেশি নাহিদ রানা কালীগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা বীর মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তি হতে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ

টিকটকের ফাঁদে স্কুলছাত্রকে হোটেলে নিয়ে বলাৎকার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:২০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 111

টিকটকে পরিচয়ের সূত্র ধরে সুনামগঞ্জে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে আকাশ চন্দ্র দাস শাওন ওরফে ইশান (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৩ মে) রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​গ্রেপ্তার আকাশ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের গৌরারং গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ শহরের একটি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে আকাশের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে আকাশ ওই ছাত্রকে শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন। এ সময় আকাশ কৌশলে নির্যাতনের ভিডিও নিজের মোবাইলে ধারণ করে রাখেন।

​পরবর্তীতে ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আকাশ তাকে শহরের অন্য একটি হোটেলে নিয়ে আবারও নির্যাতন করেন। দ্বিতীয়বার নির্যাতনের পর ছাত্রটিকে সেখানে একা ফেলে রেখে আকাশ পালিয়ে যান।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রের পরিবার সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অভিযুক্ত আকাশ আত্মগোপনে চলে গেলেও র‍্যাবের সহায়তায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় তার কাছ থেকে নির্যাতনের ভিডিও সম্বলিত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে।

​সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আজ সোমবার (৪ মে) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামত (মোবাইল) পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

​ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সচেতন মহলের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কিশোর-কিশোরীদের আরও সতর্ক হওয়া এবং অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

টিকটকের ফাঁদে স্কুলছাত্রকে হোটেলে নিয়ে বলাৎকার

প্রকাশের সময় : ০২:২০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

টিকটকে পরিচয়ের সূত্র ধরে সুনামগঞ্জে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে আকাশ চন্দ্র দাস শাওন ওরফে ইশান (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৩ মে) রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​গ্রেপ্তার আকাশ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের গৌরারং গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ শহরের একটি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে আকাশের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে আকাশ ওই ছাত্রকে শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন। এ সময় আকাশ কৌশলে নির্যাতনের ভিডিও নিজের মোবাইলে ধারণ করে রাখেন।

​পরবর্তীতে ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আকাশ তাকে শহরের অন্য একটি হোটেলে নিয়ে আবারও নির্যাতন করেন। দ্বিতীয়বার নির্যাতনের পর ছাত্রটিকে সেখানে একা ফেলে রেখে আকাশ পালিয়ে যান।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রের পরিবার সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অভিযুক্ত আকাশ আত্মগোপনে চলে গেলেও র‍্যাবের সহায়তায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় তার কাছ থেকে নির্যাতনের ভিডিও সম্বলিত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে।

​সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আজ সোমবার (৪ মে) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামত (মোবাইল) পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

​ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সচেতন মহলের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কিশোর-কিশোরীদের আরও সতর্ক হওয়া এবং অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।