‘পাত্রী চাই’ বিজ্ঞাপনের ফাঁদে কোটি টাকা খোয়ালেন উপসচিব
- প্রকাশের সময় : ১২:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / 159
নিজেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর পত্রিকায় ‘ডিভোর্সি বা বিধবা পাত্রী চাই’ বিজ্ঞাপন দেন মনিরুজ্জামান। ওই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক নারী উপসচিবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন তিনি।
মনিরুজ্জামান বিয়ের প্রলোভন দিয়ে উপসচিবকে সিলেটে ও ঢাকায় মিরপুর মডেল থানাধীন একটি আবাসিক ভবনে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে তিনি ভুক্তভোগীকে সাভারের একটি আবাসিক প্লটে বাড়ি নির্মাণে উদ্বুদ্ধ করেন এবং বিয়ের আশ্বাসে ভুক্তভোগী তার ব্যাংক হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ভুক্তভোগী জনতা ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের দুটি হিসাব থেকে মোট ৭২ লাখ ৮৫ হাজার ৭০০ টাকা আইএফআইসি ব্যাংকের একটি হিসাবেও পাঠান। এছাড়া নগদসহ অন্যান্য মাধ্যমে আরও প্রায় ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে প্রতারিত অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮২ লাখ টাকা। পরে মনিরুজ্জামান বিয়ে করতে অস্বীকার করেন এবং টাকার হিসাবও দিতে অস্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, মনিরুজ্জামান চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি ও ১৮ ফেব্রুয়ারি একই পত্রিকায় ‘পাত্রী চাই’ বিজ্ঞাপন দিয়ে আরও অনেককে প্রতারণার ফাঁদে ফেলার অভিযোগে জড়িত রয়েছেন। অভিযুক্তকে পুলিশ আটক করে চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
ভুক্তভোগীর আইনজীবী জিয়াউল হক সুমন বলেন, “আসামি ভুক্তভোগীর সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করেছে। সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে।”


























