Dhaka ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিলেন ব্রুনেইয়ের সুলতান আক্রমণকারীদের হাত থেকে মসজিদ বাঁচানো যুবককে সম্মানিত করল সৌদি জাবিতে সাঈদীসহ তিনজনের স্মরণে শিবিরের দোয়া মাহফিল শেখ মুজিবকে নিয়ে পোস্ট, জাবি ছাত্রদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি ট্রাম্পের পর হোয়াইট হাউসে কে, আলোচনায় কেন আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও কোর্তেজ প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে অভিনেত্রী রিধিকার ‌‘আত্মহত্যা’ বেগম জিয়া ছিলেন সবার নেত্রী : জাবি উপাচার্য রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক নুর কালীগঞ্জে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৭০ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার-বিদেশি মুদ্রা

ওসমান হাদির হত্যার পরিকল্পনাকারী কে এই বাপ্পি?

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 166

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারীর নাম প্রকাশ্যে এনেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তার নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়।

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির পরিকল্পনায় ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়।

তিনি পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি। এ ছাড়া বাপ্পি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ছিলেন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শ্যুটার ফয়সার করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ এবং তার সহযোগীকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং অস্ত্র ও গুলির ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে আসামিদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিও বার্তা নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘ভিডিও বার্তা দিতেই পারে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।’’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। হাদি মারা যাওয়ার পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ওসমান হাদির হত্যার পরিকল্পনাকারী কে এই বাপ্পি?

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারীর নাম প্রকাশ্যে এনেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তার নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়।

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির পরিকল্পনায় ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়।

তিনি পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি। এ ছাড়া বাপ্পি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ছিলেন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শ্যুটার ফয়সার করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ এবং তার সহযোগীকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং অস্ত্র ও গুলির ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে আসামিদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিও বার্তা নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘ভিডিও বার্তা দিতেই পারে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।’’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। হাদি মারা যাওয়ার পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।