Dhaka ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শনিবার দেখা যাবে বছরের প্রথম সুপারমুন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 111

 

চাঁদ তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসে এবং একই সময়ে পূর্ণিমা হয়। তখন সেই বিশাল ও উজ্জ্বল পূর্ণিমা চাঁদকে সুপারমুন বলা হয়। যা সাধারণ পূর্ণিমার চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়।

আগামীকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) বছরের প্রথম সুপারমুনের দেখা মিলবে। যা রাতের আকাশে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বড় আকারে দেখা যাবে।

চলতি বছরে মোট তিনটি সুপারমুন দেখা যাবে। জানুয়ারির এই সুপারমুনের পর পরবর্তী দুটি সুপারমুন দেখা যাবে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে। আগামীকালের মাধ্যমে গত বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া সুপারমুনের ধারাবাহিকতার শেষ পর্বটি সম্পন্ন হবে। বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে চাঁদ তার পূর্ণতম অবস্থানে পৌঁছাবে। তবে এর আগের রাতেই আকাশে একটি বড় ও উজ্জ্বল গোলক হিসেবে চাঁদ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে।

জানুয়ারির এই সুপারমুনটি ঐতিহ্যগতভাবে ‘উলফ মুন’, ‘কোল্ড মুন’ এবং ‘হার্ড মুন’ নামেও পরিচিত। যদিও এসব নামের পেছনে ঐতিহ্যগত ভিত্তি রয়েছে, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতেই নামগুলো বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

সূত্র: বিবিসি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শনিবার দেখা যাবে বছরের প্রথম সুপারমুন

প্রকাশের সময় : ১০:১৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

 

চাঁদ তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসে এবং একই সময়ে পূর্ণিমা হয়। তখন সেই বিশাল ও উজ্জ্বল পূর্ণিমা চাঁদকে সুপারমুন বলা হয়। যা সাধারণ পূর্ণিমার চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়।

আগামীকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) বছরের প্রথম সুপারমুনের দেখা মিলবে। যা রাতের আকাশে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বড় আকারে দেখা যাবে।

চলতি বছরে মোট তিনটি সুপারমুন দেখা যাবে। জানুয়ারির এই সুপারমুনের পর পরবর্তী দুটি সুপারমুন দেখা যাবে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে। আগামীকালের মাধ্যমে গত বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া সুপারমুনের ধারাবাহিকতার শেষ পর্বটি সম্পন্ন হবে। বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে চাঁদ তার পূর্ণতম অবস্থানে পৌঁছাবে। তবে এর আগের রাতেই আকাশে একটি বড় ও উজ্জ্বল গোলক হিসেবে চাঁদ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে।

জানুয়ারির এই সুপারমুনটি ঐতিহ্যগতভাবে ‘উলফ মুন’, ‘কোল্ড মুন’ এবং ‘হার্ড মুন’ নামেও পরিচিত। যদিও এসব নামের পেছনে ঐতিহ্যগত ভিত্তি রয়েছে, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতেই নামগুলো বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

সূত্র: বিবিসি।