Dhaka ০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
রাজবাড়ীতে রাইটার্স ক্লাব উদ্বোধন, বাংলা ভাষার চর্চা বাড়ানোর আহ্বান বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী খামেনিকে হত্যা করা একটি ‘ভুল’ ছিল: ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়াকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা ট্রাম্পের মক্কা-মদিনার প্রশ্নে আপস নয়, মক্কা প‌্যা‌ক্টে যোগ দি‌তে আগ্রহী বাংলাদেশ যেসব অপরাধে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নওগাঁর মান্দায় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার কালীগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের ভাইরাল স্যুট কি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’? শিগগিরই সৌ‌দি আরব সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত, রোববার থেকে পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 81

তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের চলমান কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছেন যে আগামী রোববার, ৭ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে তৃতীয় প্রান্তিক বা বার্ষিক পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এবং বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, মানবিকতা ও নৈতিকতার জায়গা থেকে পরীক্ষাকালীন সময়ে তালাবদ্ধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হচ্ছে। পরীক্ষার পর আলোচনা সাপেক্ষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সহকারী শিক্ষকরা গত ২৭ নভেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যান এবং ১ ডিসেম্বর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন। পরদিন ২ ডিসেম্বর তারা বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। এতে দেশের অধিকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা বিঘ্নিত হয়। কোথাও উপজেলা প্রশাসন ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় প্রধান শিক্ষকরা পরীক্ষা নিলেও তা স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি।

এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি চাকরিবিধি ও ফৌজদারি আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। এরপরও শিক্ষকরা কর্মসূচি চালিয়ে গেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী চার নেতাসহ কয়েকশো সহকারী শিক্ষককে নিয়ম ভেঙে ভিন্ন জেলায় বদলি করে। শাস্তিমূলক এই বদলির পরই শিক্ষক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা আসে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত আছেন, যাদের বৃহৎ অংশই সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকরা বর্তমানে দশম গ্রেডে আছেন, অথচ সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে গ্রেড উন্নীতকরণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রাথমিক শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত, রোববার থেকে পরীক্ষা

প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের চলমান কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছেন যে আগামী রোববার, ৭ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে তৃতীয় প্রান্তিক বা বার্ষিক পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এবং বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, মানবিকতা ও নৈতিকতার জায়গা থেকে পরীক্ষাকালীন সময়ে তালাবদ্ধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হচ্ছে। পরীক্ষার পর আলোচনা সাপেক্ষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সহকারী শিক্ষকরা গত ২৭ নভেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যান এবং ১ ডিসেম্বর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন। পরদিন ২ ডিসেম্বর তারা বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। এতে দেশের অধিকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা বিঘ্নিত হয়। কোথাও উপজেলা প্রশাসন ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় প্রধান শিক্ষকরা পরীক্ষা নিলেও তা স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি।

এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি চাকরিবিধি ও ফৌজদারি আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। এরপরও শিক্ষকরা কর্মসূচি চালিয়ে গেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী চার নেতাসহ কয়েকশো সহকারী শিক্ষককে নিয়ম ভেঙে ভিন্ন জেলায় বদলি করে। শাস্তিমূলক এই বদলির পরই শিক্ষক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা আসে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত আছেন, যাদের বৃহৎ অংশই সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকরা বর্তমানে দশম গ্রেডে আছেন, অথচ সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে গ্রেড উন্নীতকরণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।