Dhaka ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ভোজ্যতেল, ডিম ও চালসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ চায় স্থায়ী কমিটি দিল্লিতে আবাসিক এলাকায় আবারো ভবনধস যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর, আটকে দিলো পুলিশ ধর্ম-বর্ণ-পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না : প্রধানমন্ত্রী আবারও দেশে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৬০ কালুখালীর মদাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী কুন্নুর সমর্থনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান

গুম করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 93

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে গুম করার অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম জানান, গোপন আটক কেন্দ্র বা আয়নাঘর নামে পরিচিত যেসব স্থাপনা ব্যবহৃত হতো, সেগুলোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এমন কেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবহার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেস সেক্রেটারি আরও জানান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (এনএইচআরসি) গুম সম্পর্কিত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে গঠিত ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ভুক্তভোগী ও স্বাক্ষীদের নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা এবং পরিচয় সুরক্ষার বিষয়েও বিশেষ বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই অধ্যাদেশটি পাস করা হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে দেশে আর কোনো সরকার গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গুম করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে গুম করার অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম জানান, গোপন আটক কেন্দ্র বা আয়নাঘর নামে পরিচিত যেসব স্থাপনা ব্যবহৃত হতো, সেগুলোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এমন কেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবহার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেস সেক্রেটারি আরও জানান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (এনএইচআরসি) গুম সম্পর্কিত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে গঠিত ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ভুক্তভোগী ও স্বাক্ষীদের নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা এবং পরিচয় সুরক্ষার বিষয়েও বিশেষ বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই অধ্যাদেশটি পাস করা হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে দেশে আর কোনো সরকার গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না।