Dhaka ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

শাহজালাল বিমানবন্দর এখনো স্বাভাবিক নয়, ফ্লাইটে ব্যাপক বিলম্ব

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৩৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 87

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের একদিন পরও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি ফ্লাইট চলাচল। বিমান ওঠানামা শুরু হলেও শিডিউল অনুযায়ী ফ্লাইট ছাড়তে পারছে না বেশিরভাগ এয়ারলাইন্স। এতে বিদেশগামী যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, বিশেষ করে ট্রানজিট যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতের শিডিউলে থাকা অনেক ফ্লাইট ছাড়তে হয়েছে রবিবার সকালে। কিছু ফ্লাইটের বিলম্ব হয়েছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত। এমনকি রোববার সকালে নির্ধারিত ফ্লাইটগুলোকেও ছাড়তে হচ্ছে দুই থেকে তিন ঘণ্টা দেরিতে।

এর আগে শনিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। সহায়তা দেয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিজিবি। দীর্ঘ সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত সোয়া ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুন লাগার পর বিমানবন্দরে সাত ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকে। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিকল্পভাবে সিলেট ও চট্টগ্রামে অবতরণ করে। রাত ৯টার দিকে আংশিকভাবে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হলেও এখনো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক গতি ফিরে আসেনি।

এ ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং অর্থ মন্ত্রণালয় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গঠিত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটি কার্গো সেকশনের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করবে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে কার্গো হ্যান্ডলিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। সব কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শাহজালাল বিমানবন্দর এখনো স্বাভাবিক নয়, ফ্লাইটে ব্যাপক বিলম্ব

প্রকাশের সময় : ১১:৩৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের একদিন পরও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি ফ্লাইট চলাচল। বিমান ওঠানামা শুরু হলেও শিডিউল অনুযায়ী ফ্লাইট ছাড়তে পারছে না বেশিরভাগ এয়ারলাইন্স। এতে বিদেশগামী যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, বিশেষ করে ট্রানজিট যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতের শিডিউলে থাকা অনেক ফ্লাইট ছাড়তে হয়েছে রবিবার সকালে। কিছু ফ্লাইটের বিলম্ব হয়েছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত। এমনকি রোববার সকালে নির্ধারিত ফ্লাইটগুলোকেও ছাড়তে হচ্ছে দুই থেকে তিন ঘণ্টা দেরিতে।

এর আগে শনিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। সহায়তা দেয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিজিবি। দীর্ঘ সাত ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত সোয়া ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুন লাগার পর বিমানবন্দরে সাত ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকে। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিকল্পভাবে সিলেট ও চট্টগ্রামে অবতরণ করে। রাত ৯টার দিকে আংশিকভাবে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হলেও এখনো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক গতি ফিরে আসেনি।

এ ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং অর্থ মন্ত্রণালয় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গঠিত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটি কার্গো সেকশনের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করবে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে কার্গো হ্যান্ডলিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। সব কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।