বাংলাদেশসহ ১০ দেশে ফান্ডসচেইন ব্যবহার করছে বিশ্বব্যাংক
- প্রকাশের সময় : ১০:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
- / 90
তহবিল ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ, ফিলিপাইনসহ ১০টি দেশে ব্লকচেইনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘ফান্ডসচেইন’ ব্যবহার করছে বিশ্বব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি ২৯ সেপ্টেম্বর তাদের ব্লগে এই তথ্য প্রকাশ করে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ফান্ডসচেইনের পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে ১০ দেশের ১৩টি প্রকল্পে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে এটি প্রায় ২৫০টি উন্নয়ন প্রকল্পে বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ‘রেজিলিয়েন্স, এনট্রেপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট’ প্রকল্পে এই প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। ২০২১ সালে ৬০ কোটি ডলারের এই প্রকল্প শুরু হওয়ার পর এক লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে।
সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক মাহবুবুল আলম জানান, তারা ৩৫০টি গ্রামে ফান্ডসচেইন পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করছেন। পাশাপাশি প্রকল্পের ৩ হাজার ২০০টি গ্রামে ল্যাপটপ সরবরাহ ও নারী নেত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “ফান্ডসচেইন আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল করছে এবং লেনদেন রেকর্ড সহজ করছে। এতে প্রতিটি গ্রাম ও সংগঠন স্বচ্ছভাবে তহবিল ট্র্যাক করতে পারবে।”
বিশ্বব্যাংক জানায়, ফান্ডসচেইন ব্যবহারের ফলে প্রকল্পের তহবিলের সম্পূর্ণ পথ অনুসরণযোগ্য হয়, লেনদেন রেকর্ড অপরিবর্তনযোগ্য থাকে এবং সব অংশীদার তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য দেখতে পারেন। এতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
এটি ব্লকচেইনভিত্তিক একটি প্ল্যাটফর্ম, যা প্রতিটি ডলারকে নিরাপদ ডিজিটাল লেজারে ট্র্যাক করে। ফলে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ হয়।
ফিলিপাইনে ‘মেট্রো ম্যানিলা ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্টে’ প্রথম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা ৫০০ মিলিয়ন ডলারের একটি উদ্যোগ। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ফান্ডসচেইন তাদের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আরও সংগঠিত ও দক্ষভাবে পরিচালনায় সহায়তা করছে।























