Dhaka ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

নির্বাচনে কারচুপি প্রমাণিত হলে চাকরি ছেড়ে দেব: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:২০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 104

জাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব।

আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভোট কারচুপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা হলগুলোতে কয়েক স্তরে ভোটারদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে ভোটগ্রহণ করেছি। সেখানে একাধিক প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিল। পোলিং অফিসার, রিটার্নিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করেছেন।”

সবার সামনেই ভোট হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ এবং জায়ান্ট স্ক্রিনে প্রদর্শন করা হয়েছে। কেউ আমাকে ভোট কারচুপি কিংবা জালিয়াতির মতো কোনো অভিযোগ করেননি।”

ভোট গণনার কাজে একাধিক শিক্ষক সম্পৃক্ত রয়েছেন উল্লেখ করে জাকসুর সিইসি বলেন, “এখানেও সব কিছু সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই হচ্ছে। ভালোমন্দ তারা বিচার করবেন। তবে ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি, কারচুপি কিংবা জাল ভোটের মতো কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে পারলে আমি চাকরি ছেড়ে চলে যাব।”

তিনি বলেন, “নির্বাচনে কারচুপি প্রমাণিত হলে চাকরি ছাড়ার পর কোনো পেনশনের টাকা গ্রহণ করবো না।”

এছাড়াও ফলাফল বিলম্বের একমাত্র কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “কিছু মানুষের দাবির কারণে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা করতে হয়েছে, যা ফল বিলম্বের একমাত্র কারণ। যারা পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তারাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে জাকসুকে বিতর্কিত করতে চেয়েছেন। যদি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্যের অভিযোগ থাকে, তাহলে ভোটগ্রহণের দিন পদত্যাগ না করে আজ কেন তিনি পদত্যাগ করলেন? এ থেকেই বোঝা যায়, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এমন করা হয়েছে।”

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নির্বাচনে কারচুপি প্রমাণিত হলে চাকরি ছেড়ে দেব: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

প্রকাশের সময় : ০৪:২০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব।

আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভোট কারচুপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা হলগুলোতে কয়েক স্তরে ভোটারদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে ভোটগ্রহণ করেছি। সেখানে একাধিক প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিল। পোলিং অফিসার, রিটার্নিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করেছেন।”

সবার সামনেই ভোট হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ এবং জায়ান্ট স্ক্রিনে প্রদর্শন করা হয়েছে। কেউ আমাকে ভোট কারচুপি কিংবা জালিয়াতির মতো কোনো অভিযোগ করেননি।”

ভোট গণনার কাজে একাধিক শিক্ষক সম্পৃক্ত রয়েছেন উল্লেখ করে জাকসুর সিইসি বলেন, “এখানেও সব কিছু সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই হচ্ছে। ভালোমন্দ তারা বিচার করবেন। তবে ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি, কারচুপি কিংবা জাল ভোটের মতো কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে পারলে আমি চাকরি ছেড়ে চলে যাব।”

তিনি বলেন, “নির্বাচনে কারচুপি প্রমাণিত হলে চাকরি ছাড়ার পর কোনো পেনশনের টাকা গ্রহণ করবো না।”

এছাড়াও ফলাফল বিলম্বের একমাত্র কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “কিছু মানুষের দাবির কারণে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা করতে হয়েছে, যা ফল বিলম্বের একমাত্র কারণ। যারা পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তারাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে জাকসুকে বিতর্কিত করতে চেয়েছেন। যদি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্যের অভিযোগ থাকে, তাহলে ভোটগ্রহণের দিন পদত্যাগ না করে আজ কেন তিনি পদত্যাগ করলেন? এ থেকেই বোঝা যায়, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এমন করা হয়েছে।”