‘প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, আইএমএফ থেকে এক-দেড় বিলিয়ন আনতেই জান বের হয়’ — অর্থ উপদেষ্টা
- প্রকাশের সময় : ০২:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 101
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থাগুলো থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বাংলাদেশ পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি সাহায্য-সহযোগিতা (জলবায়ু অর্থায়ন) যেটা দরকার, সেটা আসছে না। হিসাব করা হয়— ৩০ বিলিয়ন ডলার দরকার বাংলাদেশের জন্য। অথচ আইএমএফ থেকে এক-দেড় বিলিয়ন আনতেই আমাদের জান বেরিয়ে যায়। এক-দেড় বছরে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের নেগোসিয়েশন করতে হয়।”
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ভবনে জলবায়ু বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালার আয়োজন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও পিকেএসএফ।
আইএমএফ ঋণ পরিস্থিতি
২০২২ সাল থেকে কয়েক দফা আলোচনা শেষে বাংলাদেশ ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে আইএমএফের সঙ্গে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত তিন কিস্তিতে ২৩১ কোটি ডলার পেলেও মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা ও রাজস্ব আহরণে শর্ত পূরণ না হওয়ায় গত ডিসেম্বরে চতুর্থ কিস্তি আটকে দেয় সংস্থাটি। পরে শর্ত মানার পর চলতি বছরের জুনে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি মিলিয়ে ১৩৩ কোটি ডলার ছাড় হয়।
দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতার প্রশংসা করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “জনগণই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় এবং তারাই প্রথম এগিয়ে আসে। স্থানীয় মানুষ নিজেদের প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবেলা করে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আমাদের সামর্থ্য যতটুকু আছে, বাংলাদেশ প্রথম কাতারে।”
জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলায় গণমাধ্যমকে জনস্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সাংবাদিকরা মানুষের কথা তুলে ধরবেন। কার কী অবদান আছে, সেটা বলবেন। ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম করবেনই, পাশাপাশি আপামর জনগণের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়েও কাজ করতে হবে।”
পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী।























