ব্যাংকিং সমস্যায় ৪০০ পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
- প্রকাশের সময় : ০১:৪৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 90
ব্যাংকিং জটিলতার কারণে দেশের প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। সংগঠনটির দাবি, সরকারের নীতি সহায়তা পেলে এসব কারখানা পুনরায় চালু হয়ে অতিরিক্ত এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে সদস্যদের নিয়ে ব্যাংকিং সংকট বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। এতে সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, এক্সিট পলিসি সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহীম এবং ওয়ান স্টপ সেল কমিটির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ভুঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় খেলাপি ঋণ নীতিমালা প্রসঙ্গে সদস্যরা বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান ৩ বছরের মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ বছর করার প্রস্তাব দেন। তাদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এত স্বল্প সময়ে ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি, ঋণ পরিশোধের ডাউন পেমেন্ট কমানোর বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
উদ্যোক্তারা অভিযোগ করেন, নিয়মবহির্ভূতভাবে ফোর্সড লোনের শিকার হয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান চেক ডিজঅনার ও অর্থঋণ মামলার মতো জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছে। এতে তাদের কার্যক্রম আরও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সভায় ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের জন্য সহনশীল এক্সিট পলিসি প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। সদস্যরা বলেন, এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা সম্মানের সঙ্গে ব্যবসা থেকে সরে দাঁড়াতে পারবেন।
এছাড়া, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলোকে নীতি সহায়তার আওতায় আনার আহ্বান জানান উদ্যোক্তারা। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা বর্তমানে শুধু বড় রপ্তানিকারকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাগ্রস্ত থাকা ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।
সভায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, “উত্থাপিত সব বিষয় নিয়ে আমরা দ্রুতই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করব।” তিনি ব্যাংকিং সমস্যায় আক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত লিখিতভাবে তাদের সমস্যা জানাতে আহ্বান জানান।























