Dhaka ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৬৫৫ মসজিদে চেয়ার ও সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ গুপ্তচর প্রধানকে নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা নওগাঁয় ৪০ কেজির বেশি কষ্টিপাথরের দুই মূর্তি উদ্ধার কালুখালীতে ৭৪টি চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস, একজনের কারাদণ্ড এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে জাককানইবির শিক্ষার্থীদের ত্রিশালের পাঁচটি স্কুলে নাটকের মাধ্যমে পাঠদান  কালুখালীর মাঝবাড়ী আলিম মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম : রিজভী

পাংশার কসবামাজাইল ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ সদস্যের অনাস্থা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • / 303

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার মাহমুদ সুফলের বিরুদ্ধে পরিষদের ১২ জন সদস্য অনাস্থা জানিয়েছেন। এ সংক্রান্ত একটি আবেদন গতকাল বুধবার পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছেন তারা।

কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. আফছার মল্লিক জানান, চেয়ারম্যান শাহরিয়ার মাহমুদ সুফল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে আসেন না। এতে করে ইউনিয়নের নাগরিকদের দুর্ভোগ ও হয়রানী হচ্ছে। পরিষদের কাজকর্ম স্থবির হয়ে আছে। এর আগে পরিষদের সকল সদস্য পরিষদে একাধিবার সভা করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। চারদিন আগে অনুষ্ঠিত সভায় তারা অনাস্থা দেওয়ার চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. জিল্লুর রহমানও জানালেন একই ধরনের কথা। তিনি বলেন, গত কোরবানী ঈদের আগে থেকে চেয়ারম্যান পরিষদে আসেন না। কেউ ফোন করলে ফোন ধরেন না। চেয়ারম্যান নিজেও ফোন করেন না। তিনি একজন প্যানেল চেয়ারম্যান। তার সাথে গত সাত আট মাস ধরে যোগাযোগ নেই চেয়ারম্যানের। এসব কারণে সকলেই তার উপর বিরক্ত।  বুধবার তারা অনাস্থা জানিয়ে ইউএনও বরাবর আবেদন দিয়েছেন।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম আবু দারদা জানান, কসবামাজাইল ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২জন সদস্য স্বাক্ষরিত একটি আবেদন তার দপ্তরে জমা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এব্যাপারে চেয়ারম্যান শাহরিয়ার মাহমুদ সুফলের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কিছু সদস্য তার কাছে অনৈতিক ডিমান্ড করেছিল যেটা পূরণ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। ১২ জন সদস্যের অনেকের কাছ থেকে জোর করে সই নিয়েছে বলে শুনেছি। সরকারিভাবে তদন্ত হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনে অনাস্থা দিয়েছে তা সঠিক নয়। তিনি নিয়মিতই পরিষদে যান।

 

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশার কসবামাজাইল ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ সদস্যের অনাস্থা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার মাহমুদ সুফলের বিরুদ্ধে পরিষদের ১২ জন সদস্য অনাস্থা জানিয়েছেন। এ সংক্রান্ত একটি আবেদন গতকাল বুধবার পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছেন তারা।

কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. আফছার মল্লিক জানান, চেয়ারম্যান শাহরিয়ার মাহমুদ সুফল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে আসেন না। এতে করে ইউনিয়নের নাগরিকদের দুর্ভোগ ও হয়রানী হচ্ছে। পরিষদের কাজকর্ম স্থবির হয়ে আছে। এর আগে পরিষদের সকল সদস্য পরিষদে একাধিবার সভা করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। চারদিন আগে অনুষ্ঠিত সভায় তারা অনাস্থা দেওয়ার চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. জিল্লুর রহমানও জানালেন একই ধরনের কথা। তিনি বলেন, গত কোরবানী ঈদের আগে থেকে চেয়ারম্যান পরিষদে আসেন না। কেউ ফোন করলে ফোন ধরেন না। চেয়ারম্যান নিজেও ফোন করেন না। তিনি একজন প্যানেল চেয়ারম্যান। তার সাথে গত সাত আট মাস ধরে যোগাযোগ নেই চেয়ারম্যানের। এসব কারণে সকলেই তার উপর বিরক্ত।  বুধবার তারা অনাস্থা জানিয়ে ইউএনও বরাবর আবেদন দিয়েছেন।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম আবু দারদা জানান, কসবামাজাইল ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২জন সদস্য স্বাক্ষরিত একটি আবেদন তার দপ্তরে জমা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এব্যাপারে চেয়ারম্যান শাহরিয়ার মাহমুদ সুফলের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কিছু সদস্য তার কাছে অনৈতিক ডিমান্ড করেছিল যেটা পূরণ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। ১২ জন সদস্যের অনেকের কাছ থেকে জোর করে সই নিয়েছে বলে শুনেছি। সরকারিভাবে তদন্ত হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনে অনাস্থা দিয়েছে তা সঠিক নয়। তিনি নিয়মিতই পরিষদে যান।