Dhaka ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সিলেটে স্কুলছাত্র সুমেল হত্যা: ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • / 291

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় স্কুলছাত্র সুমেল আহমদ শুকুর হত্যা মামলায় ৮ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন জানান, মামলায় মোট ৩৪ জন আসামির মধ্যে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাকিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১ মে চাউলধনী হাওর এলাকায় জমি দখল নিয়ে বিরোধের জেরে চৈতনগর গ্রামের ইব্রাহিম আলী সিজিল গংদের নিজ মালিকানাধীন জমিতে মাটি কাটতে থাকে সাইফুল ও তার বাহিনী। এ সময় বাধা দিতে গেলে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহজালাল হাইস্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্র সুমেল আহমদ শুকুর গুরুতর আহত হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এছাড়া সুমেলের বাবা ও চাচাসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার ৩ দিন পর ৩ মে নিহত সুমেলের চাচা ইব্রাহিম আলী সিজিল বিশ্বনাথ থানায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের তৎকালীন ডিআইজি মফিজ উদ্দিন ও পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন। তদন্তে গাফিলতি ও আলামত নষ্টের অভিযোগে বিশ্বনাথ থানার তৎকালীন ওসি শামিম মুসা, এসআই নূর ও এসআই ফজলুল হককে ক্লোজড করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তী ৩২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৩০ জুলাই রায় ঘোষণা করেন। মামলার প্রধান আসামি সাইফুল প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে জেল হাজতে রয়েছেন। এজাহারভুক্ত অপর এক আসামি মামুনুর রশীদ এখনও পলাতক রয়েছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সিলেটে স্কুলছাত্র সুমেল হত্যা: ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : ০৬:৫০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় স্কুলছাত্র সুমেল আহমদ শুকুর হত্যা মামলায় ৮ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন জানান, মামলায় মোট ৩৪ জন আসামির মধ্যে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাকিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১ মে চাউলধনী হাওর এলাকায় জমি দখল নিয়ে বিরোধের জেরে চৈতনগর গ্রামের ইব্রাহিম আলী সিজিল গংদের নিজ মালিকানাধীন জমিতে মাটি কাটতে থাকে সাইফুল ও তার বাহিনী। এ সময় বাধা দিতে গেলে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহজালাল হাইস্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্র সুমেল আহমদ শুকুর গুরুতর আহত হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এছাড়া সুমেলের বাবা ও চাচাসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার ৩ দিন পর ৩ মে নিহত সুমেলের চাচা ইব্রাহিম আলী সিজিল বিশ্বনাথ থানায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট রেঞ্জের তৎকালীন ডিআইজি মফিজ উদ্দিন ও পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন। তদন্তে গাফিলতি ও আলামত নষ্টের অভিযোগে বিশ্বনাথ থানার তৎকালীন ওসি শামিম মুসা, এসআই নূর ও এসআই ফজলুল হককে ক্লোজড করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তী ৩২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৩০ জুলাই রায় ঘোষণা করেন। মামলার প্রধান আসামি সাইফুল প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে জেল হাজতে রয়েছেন। এজাহারভুক্ত অপর এক আসামি মামুনুর রশীদ এখনও পলাতক রয়েছেন।