Dhaka ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
যাত্রাবাড়ীতে বিস্ফোরণ

একে একে শেষ হলো পুরো পরিবার, মা-বাবার পর শিশু রাফিয়ার মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • / 86

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় মা-বাবার পর মারা গেল সাড়ে ৩ বছরের শিশু রাফিয়াও। এ নিয়ে একই পরিবারের তিনজনই না ফেরার দেশে পাড়ি জমাল।

শনিবার (১২ জুলাই) ভোরের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় শিশু রাফিয়ার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি জানান, ভোর সাড়ে তিনটার দিকে আইসিইউতে মারা যায় শিশুটি। তার শরীর ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে শিশুটির মা ইতি বেগম (৪৫ শতাংশ দগ্ধ) এবং বাবা মো. রিপন (৭০ শতাংশ দগ্ধ) জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ওই গৃহবধূ, তার স্বামী ও শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। একে একে পরিবারের তিনজনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেল।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে যাত্রাবাড়ী এলাকার শহীদ ফারুক সড়কের একটি বাসার নিচ তলায় মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে জমে থাকা গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রতিবেশীরা ওই বাসার ৩ সদস্যকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

যাত্রাবাড়ীতে বিস্ফোরণ

একে একে শেষ হলো পুরো পরিবার, মা-বাবার পর শিশু রাফিয়ার মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০১:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় মা-বাবার পর মারা গেল সাড়ে ৩ বছরের শিশু রাফিয়াও। এ নিয়ে একই পরিবারের তিনজনই না ফেরার দেশে পাড়ি জমাল।

শনিবার (১২ জুলাই) ভোরের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় শিশু রাফিয়ার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি জানান, ভোর সাড়ে তিনটার দিকে আইসিইউতে মারা যায় শিশুটি। তার শরীর ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে শিশুটির মা ইতি বেগম (৪৫ শতাংশ দগ্ধ) এবং বাবা মো. রিপন (৭০ শতাংশ দগ্ধ) জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ওই গৃহবধূ, তার স্বামী ও শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। একে একে পরিবারের তিনজনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেল।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে যাত্রাবাড়ী এলাকার শহীদ ফারুক সড়কের একটি বাসার নিচ তলায় মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে জমে থাকা গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রতিবেশীরা ওই বাসার ৩ সদস্যকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।