‘বাসা ভাড়া’র টু-লেট টানিয়ে গণধর্ষণ করে ওরা, ফাঁদ পেতে ধরা হলো মূল হোতাকে
- প্রকাশের সময় : ০৯:৪২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
- / 225
রাজধানী ঢাকায় নারীদের টার্গেট করে ‘বাসা ভাড়া’র টু-লেট টানিয়ে গণধর্ষণ করে একটি চক্র। সম্প্রতি এক ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ‘সেভ আওয়ার ওমেন-বাংলাদেশ’ (sow) নামের একটি ফেসবুক সংগঠন ফাঁদ পেতে ধরেছে এ চক্রের মূল হোতাকে।
একটি ভিডিও শেয়ার করে ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে সংগঠনটি তাদের ফেসবুকে পেজে জানায়, ভুক্তভোগী নারী ফেসবুকে বাসা ভাড়ার বিজ্ঞাপন দেখে গত ২৮শে এপ্রিল উত্তরার জোহোরা মার্কেট এলাকায় যায় বাসা দেখতে। একটা ছেলে মেট্রো স্টেশন থেকে ভুক্তভোগী নারীকে বাসা দেখাতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে আরেকজনের সহায়তায় মেয়েটিকে একটা রুমে আটকে ফেলে এবং তার সাথে থাকা টাকা পয়সা মোবাইল রেখে দেয়। এরপর তারা ২ জন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। যখন মেয়েটা অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তাকে বাসার বাইরে ফেলে রেখে যায়। পরে পথচারীদের একজনের সাহায্য নিয়ে সে তার বান্ধবীর বাসায় ফিরতে পারে।
বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর সহায়তায় এগিয়ে আসে sow টিম। ওই নারী জানান, তিনি নিকটস্থ আর্মি ক্যাম্পে বিষয়টা জানালে তারা সহযোগিতা করেনি। এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পের কাছে প্রেরণ করা হয়। এরপর ‘সেভ আওয়ার ওমেন-বাংলাদেশ’ টিম এ চক্রের মূল হোতাকে ধরতে ফাঁদ পাতে।
একই ভাবে এ ধরনের একটি বিজ্ঞাপন দেখে বাসা ভাড়া দেওয়ার মোবাইল নাম্বারে অন্য একজন নারীকে দিয়ে যোগাযোগ করানো হয়। চক্রটি এই নারীকে মিরপুর ১০ এ যেতে বলে। sow টিমসহ ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী নারী আড়ালে থেকে অপেক্ষা করতে থাকে। এসময় দেখা যায় বাসা ভাড়া দেওয়ার জন্য নতুন নারীটির সাথে যে ছেলেটা দেখা করতে আসে তিনি ছিলেন উত্তরাতে ভুক্তভোগীকে ধষণ করা সেই ব্যক্তি। এসময় তাকে আটক করার পরে তার মোবাইলে অসংখ্য নারীর ভিডিও পাওয়া যায়। এরপর গণধোলাই দেয় জনগণ। পরে নিকটস্থ আর্মি ক্যাম্পে তাকে নিয়ে যাওয়া হলে তারা কিছু করতে পারবে না বলে জানায়। তবে জনতার প্রতিবাদে একজন সেনা কর্মকর্তা এসে অভিযক্ত ধর্ষককে তাদের জিম্মায় নেয় এবং পুলিশে খবর দেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিযুক্ত ধর্ষক ফুচকা বিক্রির আড়ালে একটা চক্রের সাথে মিলে এ ধরনের কাজ করতো।
আটকের পর অভিযুক্ত ধর্ষকের ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।


























