Dhaka ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সবার জন্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে : প্রধানমন্ত্রী মাথায় চোট পেয়ে হাসপাতালে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ শৈলকুপায় সুপারি পাড়া নিয়ে বিরোধে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্য: মঈন খান কুষ্টিয়া একদিন ‘লালন নগরী’ হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতা কারাগারে কালীগঞ্জে ১৬ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিএনপি নেতা নিরাপত্তার স্বার্থে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিমানের রিয়াদগামী ফ্লাইট নুডলস খেয়ে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু পত্নীতলায় ১৫০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার
রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে অভিযান

গ্রাহক সেজে চার দালালকে ধরল দুদক

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 183

দুনীতি দমর কমিশন ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা গ্রাহক সেজে রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে অভিযান চালিয়ে চার দালালকে আটক করে। পরে তাদের রাজবাড়ী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। একই সাথে দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গতকাল বুধবার দুপুরে রাজবাড়ী বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদক ফরিদপুর কার্যালয়ের সদস্যরা গ্রাহক সেজে অনিয়মের সত্যতা খুঁজে পায়। পরে তারা চারজন দালালকে আটক করে বিআরটিএ কার্যালয়ের মধ্যে জিঞ্জাসাবাদ করে। দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টা তাদের জিঞ্জাসাবাদ করা হয়। আটক চার দালালের কাছেই মোটা অংকের নগদ টাকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে আশিক খানের কাছে ৩৩ হাজার একশ টাকা, আকরামুজ্জামানের কাছে ২৫ হাজার  ৮০ টাকা, লিয়াকত আলীর কাছে ১৪ হাজার ৯৫০ টাকা পাওয়া যায়। মুনসুর আলী নামে অপর দালাল ত্বরিৎ কাজ করিয়ে দিতে গ্রাহকদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিলেন।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, যেসব গ্রাহক ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বিআরটিএ অফিসে আসেন তাদের থেকে লিখিত, মৌখিক ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য এসব টাকা গ্রহণ করা হতো।

দুদক ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজ  জানান, রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে অভিযান চালিয়ে দালালদের উপস্থিতি ও তাদের কাছে আর্থিক অনিয়ম পাওয়া  যায়। তারা বিভিন্ন সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অর্থের বিনিময়ে সেবা দিয়ে আসছিলো। তাদের টিমের সদস্যরা সেবা গ্রহীতা সেজে তাদের কাছ থেকে অনিয়ম পেয়ে চারজনকে আটক করে। পরে জিঞ্জাসাবাদে সত্যতা পাওয়া যায়। আাটক চারজনকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। আইনী ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিআরটিএর কাছে তাদের প্রয়েজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এসব কাগজ পত্র বিশ্লেষণ করে কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন দুদক ফরিদপুর কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক কামরুল হাসান।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে অভিযান

গ্রাহক সেজে চার দালালকে ধরল দুদক

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

দুনীতি দমর কমিশন ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা গ্রাহক সেজে রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে অভিযান চালিয়ে চার দালালকে আটক করে। পরে তাদের রাজবাড়ী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। একই সাথে দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গতকাল বুধবার দুপুরে রাজবাড়ী বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদক ফরিদপুর কার্যালয়ের সদস্যরা গ্রাহক সেজে অনিয়মের সত্যতা খুঁজে পায়। পরে তারা চারজন দালালকে আটক করে বিআরটিএ কার্যালয়ের মধ্যে জিঞ্জাসাবাদ করে। দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টা তাদের জিঞ্জাসাবাদ করা হয়। আটক চার দালালের কাছেই মোটা অংকের নগদ টাকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে আশিক খানের কাছে ৩৩ হাজার একশ টাকা, আকরামুজ্জামানের কাছে ২৫ হাজার  ৮০ টাকা, লিয়াকত আলীর কাছে ১৪ হাজার ৯৫০ টাকা পাওয়া যায়। মুনসুর আলী নামে অপর দালাল ত্বরিৎ কাজ করিয়ে দিতে গ্রাহকদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিলেন।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, যেসব গ্রাহক ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বিআরটিএ অফিসে আসেন তাদের থেকে লিখিত, মৌখিক ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য এসব টাকা গ্রহণ করা হতো।

দুদক ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজ  জানান, রাজবাড়ী বিআরটিএ অফিসে অভিযান চালিয়ে দালালদের উপস্থিতি ও তাদের কাছে আর্থিক অনিয়ম পাওয়া  যায়। তারা বিভিন্ন সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অর্থের বিনিময়ে সেবা দিয়ে আসছিলো। তাদের টিমের সদস্যরা সেবা গ্রহীতা সেজে তাদের কাছ থেকে অনিয়ম পেয়ে চারজনকে আটক করে। পরে জিঞ্জাসাবাদে সত্যতা পাওয়া যায়। আাটক চারজনকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। আইনী ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিআরটিএর কাছে তাদের প্রয়েজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এসব কাগজ পত্র বিশ্লেষণ করে কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন দুদক ফরিদপুর কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক কামরুল হাসান।