Dhaka ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
  • / 115

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনটিতে রমনার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠে দেওয়া সেই ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকনির্দেশনা খুঁজে পেয়েছিল বাঙালি জাতি। পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক এ ভাষণই হয়ে ওঠে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র। মূলত বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের আহ্বানেই মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে বাঙালি। তাই এ জাতির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয় ভাষণটি।

২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে সেদিন বঙ্গবন্ধু যেমন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেছেন, তেমনি দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এক কথায় বলা যায়, এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল। একাত্তরের এই দিনের পড়ন্ত বিকেলে বঙ্গবন্ধু সমবেত লাখো মানুষকে সামনে রেখে বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

প্রকাশের সময় : ০১:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনটিতে রমনার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠে দেওয়া সেই ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকনির্দেশনা খুঁজে পেয়েছিল বাঙালি জাতি। পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক এ ভাষণই হয়ে ওঠে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র। মূলত বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের আহ্বানেই মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে বাঙালি। তাই এ জাতির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয় ভাষণটি।

২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে সেদিন বঙ্গবন্ধু যেমন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেছেন, তেমনি দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এক কথায় বলা যায়, এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল। একাত্তরের এই দিনের পড়ন্ত বিকেলে বঙ্গবন্ধু সমবেত লাখো মানুষকে সামনে রেখে বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’