Dhaka ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২ মেয়াদের পক্ষে সরকারের সমর্থন ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি নাশকতাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে : গয়েশ্বর একনেকে ১৫,৮২৩ কোটি টাকায় ১৩ প্রকল্প অনুমোদন অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর সফর হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অনিবন্ধিত অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার কালীগঞ্জে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে চিনি উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বন্ধুর নাম, পরিচিত মুখ—প্রতারণার নতুন ফাঁদ

‘নিপাহ ভাইরাসে এ বছর আক্রান্তরা সবাই মারা গেছেন’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • / 230

এ বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের সবাই মারা গেছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। সোমবার (৩ মার্চ) সংস্থাটি এই তথ্য প্রকাশ করলেও নিহতদের ব্যাপারে বিস্তারিত পরিচয় জানায়নি।

নিপাহ ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো বাদুড়। নিপাহ ভাইরাসে সংক্রমিত হলে ৫-৭ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত জ্বরের সঙ্গে ঘুমঘুম ভাব, পেশিতে ব্যথা, বমি, গলা ব্যথা, মাথাব্যথা, অস্থিরতা ও ঝিমুনি হয়। অনেক ক্ষেত্রে রোগী প্রায় অচেতন হয়ে যায়, মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দেয় এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যে-সব রোগীর মস্তিষ্কে প্রদাহের লক্ষণ দেখা যায় এবং তারা কাঁচা খেজুরের রস পান করেছেন, তাদের নিপাহ সংক্রমণের সন্দেহভুক্ত তালিকায় রাখা হয়।

আইইডিসিআরের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে এক মায়ের বুকের দুধে নিপাহ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়, যা সারা বিশ্বে বিরল ঘটনা। পরে ওই মায়ের সন্তান মারা যায়। ওই বছর দেশে পাঁচজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হন এবং সবারই মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশে গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭১ শতাংশই মারা গেছেন। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো কার্যকরী ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা নেই, যা এটিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘নিপাহ ভাইরাসে এ বছর আক্রান্তরা সবাই মারা গেছেন’

প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

এ বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের সবাই মারা গেছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। সোমবার (৩ মার্চ) সংস্থাটি এই তথ্য প্রকাশ করলেও নিহতদের ব্যাপারে বিস্তারিত পরিচয় জানায়নি।

নিপাহ ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো বাদুড়। নিপাহ ভাইরাসে সংক্রমিত হলে ৫-৭ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত জ্বরের সঙ্গে ঘুমঘুম ভাব, পেশিতে ব্যথা, বমি, গলা ব্যথা, মাথাব্যথা, অস্থিরতা ও ঝিমুনি হয়। অনেক ক্ষেত্রে রোগী প্রায় অচেতন হয়ে যায়, মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দেয় এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যে-সব রোগীর মস্তিষ্কে প্রদাহের লক্ষণ দেখা যায় এবং তারা কাঁচা খেজুরের রস পান করেছেন, তাদের নিপাহ সংক্রমণের সন্দেহভুক্ত তালিকায় রাখা হয়।

আইইডিসিআরের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে এক মায়ের বুকের দুধে নিপাহ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়, যা সারা বিশ্বে বিরল ঘটনা। পরে ওই মায়ের সন্তান মারা যায়। ওই বছর দেশে পাঁচজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হন এবং সবারই মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশে গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭১ শতাংশই মারা গেছেন। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো কার্যকরী ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা নেই, যা এটিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।