Dhaka ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা ও সড়ক নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ বিলুপ্ত করা হলো ‘পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন’ বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২.১ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নওগাঁয় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঘাড় মটকে হত্যা, কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নেওয়া হয় রাকিবের লাশ নিউমোনিক প্লেগ কী? কতটা ভয়ের কারণ হতে পারে এই রোগ? পানি সহযোগিতা নিয়ে ক‌মি‌টি : ভারতীয় প্রতিনিধিদের নাম চেয়েছে ঢাকা ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাতে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে কড়া নির্দেশনা

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে রোজা শুরু শনিবার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • / 220

সৌদি আরবে হিজরি ১৪৪৬ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে শনিবার (১ মার্চ) থেকে দেশটিতে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান।

এদিকে আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে তারাবি নামাজ ও রোজা রাখার প্রস্তুতি নিয়েছে চাঁদপুরের সাদ্রা দরবার শরীফের অনুসারি অর্ধশতাধিক গ্রামের লোকজন।
শনিবার (১ মার্চ) সৌদি আরবসহ আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে রোজা শুরু হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জের ঐতিহাসিক সাদরা দরবার শরীফের পীরজাদা ড. বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী।

আগাম রোজা রাখা গ্রামগুলো হচ্ছে-জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানি এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রাম।

সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেন, আগাম রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯৩২ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের পীর সৌদি আরবসহ আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া শনিবার রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে, তার উপর নির্ভরশীল হয়ে আমরা রোজা ও ঈদ পালন করি। তবে প্রথমে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য না পাওয়ায় আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে একটু দেরি হয়েছে। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরবে চাঁদ দেখার খবরটি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়। যার কারণে দেরিতে হলেও আমরা তারাবি ও রোজা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে রোজা শুরু শনিবার

প্রকাশের সময় : ১২:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

সৌদি আরবে হিজরি ১৪৪৬ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে শনিবার (১ মার্চ) থেকে দেশটিতে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান।

এদিকে আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে তারাবি নামাজ ও রোজা রাখার প্রস্তুতি নিয়েছে চাঁদপুরের সাদ্রা দরবার শরীফের অনুসারি অর্ধশতাধিক গ্রামের লোকজন।
শনিবার (১ মার্চ) সৌদি আরবসহ আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে রোজা শুরু হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জের ঐতিহাসিক সাদরা দরবার শরীফের পীরজাদা ড. বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী।

আগাম রোজা রাখা গ্রামগুলো হচ্ছে-জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানি এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রাম।

সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেন, আগাম রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯৩২ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের পীর সৌদি আরবসহ আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া শনিবার রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে, তার উপর নির্ভরশীল হয়ে আমরা রোজা ও ঈদ পালন করি। তবে প্রথমে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য না পাওয়ায় আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে একটু দেরি হয়েছে। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরবে চাঁদ দেখার খবরটি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়। যার কারণে দেরিতে হলেও আমরা তারাবি ও রোজা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।