রোজা ভাঙিয়ে বন্দির স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা!
- প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / 334
স্বামীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে স্ত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক র্যাব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত র্যাব কর্মকর্তার নাম আলেপ বলে দাবি করা হয়েছে। তার বিচারের দাবি উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।
রোজা ভাঙিয়েও ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
এ বিষয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। ফেসবুকে মূল পোস্টটি ছিল মউদুদ সুজনের। তার পোস্টটি আজ সোমবার প্রেসসচিব শেয়ার পর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ওই পোস্টে মউদুদ সুজন লিখেছেন, ‘গুম হওয়া স্বামী বলছেন পবিত্র শবে কদরের দিন রোজা ভাঙিয়ে ধর্ষণ করা হয় তার স্ত্রীকে।
এর আগেও প্রায় তিনবার ধর্ষণ করা হয়েছে স্বামীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে। শেষবার ধর্ষণের পর স্ত্রীর মানসিক অবস্থার অবনতি হয় এবং কিছুদিন পরে মৃত্যুবরণ করেন।’
সেই পোস্টে ধর্ষকের নাম জানিয়ে লেখা হয়, ‘ধর্ষক র্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নাম আলেপ। স্বামী সবকিছু হারিয়ে যখন আলেপকে (আলেপ উদ্দীন) বারবার ফোন দিতে থাকে আলেপ রিপ্লাইয়ে জানান, ‘‘বন্দি মেয়ে বা বন্দি পুরুষদের স্ত্রীদের সাথে এমন আচরণ এখানে অলিখিতভাবে স্বীকৃত ’’……..।’
মউদুদ সুজন সেই র্যাব কর্মকর্তার বিচার চেয়ে লেখেন, ‘মানুষ কতটা নিচুতে নামলে নিজের মা/ স্ত্রী/মেয়ে থাকা সত্ত্বেও একজন বন্দির স্ত্রীকে এমনভাবে ট্রিট করে! এই র্যাব কর্মকর্তা আলেপের বিচার সবার আগে হওয়া উচিত।’
ওই পোস্টের পর তিনি আপেলকে নিয়ে আরো একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, আর্থিক অনটনে থাকা আলেপকে যারা নিজেদের কাছে রেখে, আর্থিক সহায়তা দিয়ে পড়াশোনা শেষ করতে সাহায্য করেছে, তাদের সাথে কথা হলো। র্যাবে তার সহকর্মী একজন পুলিশ সুপারের সাথে কথা হলো।
যা শুনছি, গা শিউরে উঠছে; তার পক্ষে এইরকম জঘন্য কাজ করা অসম্ভব নয়। এই আলেপ এরকমই কুখ্যাত ছিল। এই আলেপকে কুখ্যাত মেজর জেনারেল (এখন গ্রেফতার) জিয়াউল ব্যবহার করতো। আলেপ তার ছায়ায় এসব করেছে বলে জানা যাচ্ছে। পুরষ্কার হিসেবে নানারকম পদকও পেয়ছে! গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম র্যাবের ছয় নারীকে হাসিনা আমলে নগ্ন করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। সবকিছু তদন্ত করে জাতির সামনে প্রকাশ করা উচিত।
সূত্র: কালের কণ্ঠ


























