Dhaka ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালুখালীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ মামলার পর জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেফতার না ফেরার দেশে ‘বীরাঙ্গনা’ ফুলমতি, শেষ হলো ৪৫ বছরের স্বীকৃতির লড়াই কৌতূহলের বশে ভিমরুলের চাকে পাটখড়ির খোঁচা, কামড়ে দুই শিশুর মৃত্যু এসএ২০ নিলামে একমাত্র বাংলাদেশি নাহিদ রানা কালীগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা বীর মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তি হতে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ ফরিদপুরে মেয়েকে নেশাগ্রস্ত স্বামীর কাছ থেকে ছাড়িয়ে দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা গোপন গুদামে শুল্কমুক্ত মদ মজুত, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

পাহাড়িয়া দ্বীপে আঙুর চাষ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 271

বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আঙুর চাষ সম্ভব নয়, এমন ধারণাকে পাল্টে দিতে বিভিন্ন জাতের আঙুরের চারা সংগ্রহ করে আবাদ শুরু করেন মহেশখালীর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক ফজলুল করিম ফয়েজ। অবশেষে আঙুরের বাণিজ্যিক চাষে সফলতা পেয়েছেন তিনি। কক্সবাজারের পাহাড়ি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর মধুয়ার ডেইল গ্রামের ফজলুল করিম ফয়েজ। পেশায় তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় নিয়োজিত। শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশে বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষের বিপ্লব ঘটাতে উদ্যোগ নেন।

চার বছর আগে তিনি অনলাইনে আঙুর চাষের বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা নেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কলকাতার এক আঙুর চাষির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। তিনি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে কলকাতা থেকে মাত্র ৩০টি আঙুরের চারা এনে চাষ শুরু করেন।

সেখান থেকে তিনটি চারা মারা গেলেও বাকি ২৭ থেকে ফল ফলাতে এবং চারা উৎপাদন করতে সক্ষম হন। বাড়ির পাশের কয়েক শতক জায়গাজুড়ে ফয়েজের আঙুর বাগান। এ পর্যন্ত তিনি আঙুর চাষে পুঁজি খাটিয়েছেন ২ লাখ টাকা। তিনি জানান, শিক্ষকতা প্রায় সাড়ে চার বছর। পাশাপাশি আঙুর নিয়ে কাজ করি। চলতি বছরে ইতোমধ্যেই ১২০ কেজি আঙুর বিক্রি করেছি। এখান থেকে শুধু আঙুর বিক্রি নয়, চারা বিক্রি করে আয় করেছি ৫ লাখ টাকা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাহাড়িয়া দ্বীপে আঙুর চাষ

প্রকাশের সময় : ১১:৫৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আঙুর চাষ সম্ভব নয়, এমন ধারণাকে পাল্টে দিতে বিভিন্ন জাতের আঙুরের চারা সংগ্রহ করে আবাদ শুরু করেন মহেশখালীর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক ফজলুল করিম ফয়েজ। অবশেষে আঙুরের বাণিজ্যিক চাষে সফলতা পেয়েছেন তিনি। কক্সবাজারের পাহাড়ি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর মধুয়ার ডেইল গ্রামের ফজলুল করিম ফয়েজ। পেশায় তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় নিয়োজিত। শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশে বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষের বিপ্লব ঘটাতে উদ্যোগ নেন।

চার বছর আগে তিনি অনলাইনে আঙুর চাষের বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা নেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কলকাতার এক আঙুর চাষির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। তিনি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে কলকাতা থেকে মাত্র ৩০টি আঙুরের চারা এনে চাষ শুরু করেন।

সেখান থেকে তিনটি চারা মারা গেলেও বাকি ২৭ থেকে ফল ফলাতে এবং চারা উৎপাদন করতে সক্ষম হন। বাড়ির পাশের কয়েক শতক জায়গাজুড়ে ফয়েজের আঙুর বাগান। এ পর্যন্ত তিনি আঙুর চাষে পুঁজি খাটিয়েছেন ২ লাখ টাকা। তিনি জানান, শিক্ষকতা প্রায় সাড়ে চার বছর। পাশাপাশি আঙুর নিয়ে কাজ করি। চলতি বছরে ইতোমধ্যেই ১২০ কেজি আঙুর বিক্রি করেছি। এখান থেকে শুধু আঙুর বিক্রি নয়, চারা বিক্রি করে আয় করেছি ৫ লাখ টাকা।