Dhaka ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হাসপাতালে কৃষিমন্ত্রীর ক্ষোভ, ‘হারপিক নিয়ে আসেন আমি ক্লিন করবো’ জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় হকার বসতে দেওয়া হবে না : ডিএসসিসি প্রশাসক যে শর্তে পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে বসতে প্রস্তুত ট্রাম্প দুই হত্যা মামলা: রিয়াজের আগাম জামিন আবেদন নাকচ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনো স্লোগান নয়, পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর ঘোষণা বিসিবির ধামইরহাটে হত্যা মামলা রুজুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৫ আসামি গ্রেফতার নওগাঁয় দুই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মামলা, জরিমানা ২২ হাজার টাকা রাজবাড়ীতে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার আসামিদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা, পুলিশ বলছে ‘এখনই বলা যাবে না’

আসামিদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা, পুলিশ বলছে ‘এখনই বলা যাবে না’

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 18

 

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী এবং তাদের মেয়ে ও ছেলে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে বুধবার। জিজ্ঞাসাবাদে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস আগে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও কাকা বাড়ি বিক্রি করেছিলেন। বাড়ি বিক্রি করে সপরিবারে তাদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। স্থানীয়দের মুখে মুখে এই কথা চাউর হলেও পুলিশ বলছে, তদন্তের স্বার্থে এখন কিছুই বলা যাবে না।

জানা গেছে, সোমবার রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী কারাগারে থাকা হত্যা মামলার দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে দুজনের প্রত্যেককে দুই দিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম। আদালতের অনুমতি নিয়ে আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। আসামিদের দেওয়া তথ্যের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ বলেন, তদন্তাধীন বিষয়ে কথা বলা যাবে না। হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করতে যা যা দরকার তার সবই করব। বাড়ি বিক্রি ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এখন কিছুই বলা যাবে না।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আসামিদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা, পুলিশ বলছে ‘এখনই বলা যাবে না’

প্রকাশের সময় : ০৫:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী এবং তাদের মেয়ে ও ছেলে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে বুধবার। জিজ্ঞাসাবাদে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস আগে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও কাকা বাড়ি বিক্রি করেছিলেন। বাড়ি বিক্রি করে সপরিবারে তাদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। স্থানীয়দের মুখে মুখে এই কথা চাউর হলেও পুলিশ বলছে, তদন্তের স্বার্থে এখন কিছুই বলা যাবে না।

জানা গেছে, সোমবার রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী কারাগারে থাকা হত্যা মামলার দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে দুজনের প্রত্যেককে দুই দিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম। আদালতের অনুমতি নিয়ে আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। আসামিদের দেওয়া তথ্যের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ বলেন, তদন্তাধীন বিষয়ে কথা বলা যাবে না। হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করতে যা যা দরকার তার সবই করব। বাড়ি বিক্রি ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এখন কিছুই বলা যাবে না।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ।