Dhaka ০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : ভারতীয় হাইকমিশনার ‘৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার হলে অলি আহমদই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন’ ইয়াবাসহ আটক আসামির পরিবারের কাছে ঘুস দাবির অডিও ফাঁস, এসআই ক্লোজড নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি কারাগারে ‘ভাইরাল মিজান’, জানা গেল নেপথ্যের ঘটনা দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেল ৬ হাজার ১৭৬ জন রাষ্ট্রপতি পদে ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে আরও ৮৬ হাজার ৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রাশিয়ায় নতুন করে ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি

রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে আরও ৮৬ হাজার ৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 7

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে দেশের আরও ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা এ সুবিধার আওতায় আসবেন।

সোমবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গঠিত সেলের এক সভায় চলতি অর্থবছরের জন্য নতুন করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি মসজিদ রাষ্ট্রীয় সম্মানীর জন্য নির্বাচিত হবে। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুটি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করা হবে ছয়টি মসজিদ।

এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভা থেকে একটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। বাকি মন্দিরগুলো ইউনিয়ন পর্যায় থেকে বাছাই করা হবে। বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

রাষ্ট্রীয় এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক মাসে ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা করে। আর মসজিদের খাদেমকে দেওয়া হবে মাসিক ২ হাজার টাকা।

সম্মানীর অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পাঠানো হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী দিতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতায় আসবে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানীর আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সম্মানী দেওয়া হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে আরও ৮৬ হাজার ৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

প্রকাশের সময় : ১২:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে দেশের আরও ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা এ সুবিধার আওতায় আসবেন।

সোমবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গঠিত সেলের এক সভায় চলতি অর্থবছরের জন্য নতুন করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি মসজিদ রাষ্ট্রীয় সম্মানীর জন্য নির্বাচিত হবে। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুটি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করা হবে ছয়টি মসজিদ।

এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভা থেকে একটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। বাকি মন্দিরগুলো ইউনিয়ন পর্যায় থেকে বাছাই করা হবে। বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

রাষ্ট্রীয় এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক মাসে ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা করে। আর মসজিদের খাদেমকে দেওয়া হবে মাসিক ২ হাজার টাকা।

সম্মানীর অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পাঠানো হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী দিতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতায় আসবে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানীর আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সম্মানী দেওয়া হয়।