Dhaka ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ৮০ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা

কারাগারে প্রিন্স মামুন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / 86

এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও দ্বিতীয় স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনাকে নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে প্রিন্স মামুনের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। তবে শুনানিকালে বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রিন্স মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখায়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পেশায় ফ্যাশন মডেল মোহনার সঙ্গে প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রিন্স মামুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

বাদীর অভিযোগ, প্রিন্স মামুন বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত এবং মাদকাসক্ত। এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে মারধর করা হতো। এছাড়া ব্যবসার জন্য বিয়ের পর থেকেই এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রিন্স মামুন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মোহনার বাসায় গিয়ে আবারও বাবা-মায়ের কাছ থেকে এক কোটি টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি মোহনাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন এবং গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে মোহনার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কারাগারে প্রিন্স মামুন

প্রকাশের সময় : ০৬:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও দ্বিতীয় স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনাকে নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে প্রিন্স মামুনের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। তবে শুনানিকালে বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রিন্স মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখায়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পেশায় ফ্যাশন মডেল মোহনার সঙ্গে প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রিন্স মামুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

বাদীর অভিযোগ, প্রিন্স মামুন বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত এবং মাদকাসক্ত। এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে মারধর করা হতো। এছাড়া ব্যবসার জন্য বিয়ের পর থেকেই এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রিন্স মামুন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মোহনার বাসায় গিয়ে আবারও বাবা-মায়ের কাছ থেকে এক কোটি টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি মোহনাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন এবং গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে মোহনার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়।