Dhaka ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ৮০ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা

খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না আর্জেন্টাইন ফুটবলারের স্ত্রী-সন্তানকে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / 75

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লুকাস ত্রেহোর স্ত্রী ও সন্তান। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ত্রেহো লিখেছেন, ‘প্লায়া গ্রান্দেতে আমাদের ভবনটি ধসে পড়েছে। আমার পরিবারের কোনো খবর জানি না। দয়া করে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন এবং কেউ দেখে থাকলে এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, তারা তখন ভবনের ভেতরে ছিল না। দয়া করে আমার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করুন।’

ভেনেজুয়েলার দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব স্পোর্ট মারিতিমো লা গুইরার হয়ে খেলা ৩৮ বছর বয়সী ত্রেহো জানিয়েছেন, প্লায়া গ্রান্দেতে তাদের বসবাস করা ভবনটি পুরোপুরি ধসে পড়েছে। এরপর থেকেই স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেয়া এবং দুই সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়ার কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না তিনি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ বা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

এদিকে ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্লোস আলভারাদো।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কার্লোস বলেন, দুঃখজনকভাবে প্রায় ২৩৫ জনকে আমরা কোনো প্রাণের লক্ষণ ছাড়াই হাসপাতালে পেয়েছি, অথবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনার পথে তারা মারা গেছেন।

তিনি বলেন, ভূমিকম্পে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া সব মরদেহেরও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছে দেশের সব বাহিনী।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় কম্পন অনুভূত হয়। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভেনেজুয়েলার ক্যারিবীয় উপকূলবর্তী মোরন এলাকার পশ্চিমে। রাজধানী কারাকাস থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার (১০৪ মাইল)। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ২২ কিলোমিটার (১৪ মাইল)।

এর মাত্র এক মিনিট পর দ্বিতীয় এবং আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মোরনের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১৬ কিলোমিটার (১০ মাইল) দূরে এবং এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল)।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না আর্জেন্টাইন ফুটবলারের স্ত্রী-সন্তানকে

প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লুকাস ত্রেহোর স্ত্রী ও সন্তান। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ত্রেহো লিখেছেন, ‘প্লায়া গ্রান্দেতে আমাদের ভবনটি ধসে পড়েছে। আমার পরিবারের কোনো খবর জানি না। দয়া করে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন এবং কেউ দেখে থাকলে এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, তারা তখন ভবনের ভেতরে ছিল না। দয়া করে আমার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করুন।’

ভেনেজুয়েলার দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব স্পোর্ট মারিতিমো লা গুইরার হয়ে খেলা ৩৮ বছর বয়সী ত্রেহো জানিয়েছেন, প্লায়া গ্রান্দেতে তাদের বসবাস করা ভবনটি পুরোপুরি ধসে পড়েছে। এরপর থেকেই স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেয়া এবং দুই সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়ার কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না তিনি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ বা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

এদিকে ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্লোস আলভারাদো।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কার্লোস বলেন, দুঃখজনকভাবে প্রায় ২৩৫ জনকে আমরা কোনো প্রাণের লক্ষণ ছাড়াই হাসপাতালে পেয়েছি, অথবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনার পথে তারা মারা গেছেন।

তিনি বলেন, ভূমিকম্পে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া সব মরদেহেরও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছে দেশের সব বাহিনী।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় কম্পন অনুভূত হয়। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভেনেজুয়েলার ক্যারিবীয় উপকূলবর্তী মোরন এলাকার পশ্চিমে। রাজধানী কারাকাস থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার (১০৪ মাইল)। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ২২ কিলোমিটার (১৪ মাইল)।

এর মাত্র এক মিনিট পর দ্বিতীয় এবং আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মোরনের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১৬ কিলোমিটার (১০ মাইল) দূরে এবং এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল)।