Dhaka ০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

মাথাবিহীন ৭ টুকরো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের রহস্য উদঘাটন, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৫০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 114

রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করার ঘটনায় মা-মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে র‌্যাব-৩ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে হালিমা। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা ও সৌদি প্রবাসী মোকাররম পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। অভিযুক্তরা তাকে হত্যা করার পর মরদেহ আট টুকরা করে পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর মান্ডা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।

প্রাথমিক তদন্তে র‌্যাব জানতে পেরেছে, পাঁচ লাখ টাকার বেশি আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরকীয়া প্রেমিকা ও তার সহযোগীরা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে হত্যা করে। পরে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়।

এর আগে রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা প্রথম গলি এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি সাত টুকরা অবস্থায় পাওয়া গেলেও মাথা উদ্ধার করা যায়নি।

মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পলিথিনে মোড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে অন্য কোথাও থেকে এনে ভবনের বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এছাড়া পিবিআই ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করলেও প্রথমদিকে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মাথাবিহীন ৭ টুকরো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের রহস্য উদঘাটন, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশের সময় : ০৪:৫০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করার ঘটনায় মা-মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে র‌্যাব-৩ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে হালিমা। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা ও সৌদি প্রবাসী মোকাররম পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। অভিযুক্তরা তাকে হত্যা করার পর মরদেহ আট টুকরা করে পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর মান্ডা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।

প্রাথমিক তদন্তে র‌্যাব জানতে পেরেছে, পাঁচ লাখ টাকার বেশি আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরকীয়া প্রেমিকা ও তার সহযোগীরা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে হত্যা করে। পরে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়।

এর আগে রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা প্রথম গলি এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি সাত টুকরা অবস্থায় পাওয়া গেলেও মাথা উদ্ধার করা যায়নি।

মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পলিথিনে মোড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে অন্য কোথাও থেকে এনে ভবনের বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এছাড়া পিবিআই ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করলেও প্রথমদিকে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।