Dhaka ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতোর মালা, নিন্দা ও ক্ষোভ ‘জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার’ ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু বাংলাদেশিদের শ্রম ভিসা সাময়িক বন্ধ করল লাওস ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটিই যেন না থাকে: খাদ্যমন্ত্রী ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী

মেসি ও রোনালদোর ‘লাস্ট ড্যান্স’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / 178

ফুটবল বিশ্বের দুই অবিসংবাদিত মহাতারকা Lionel Messi এবং Cristiano Ronaldo। গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলকে নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নৈপুণ্য ও অসংখ্য রেকর্ডে রাঙিয়ে রাখা এই দুই কিংবদন্তি এখন ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে দাঁড়িয়ে। তবুও ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আরও একবার মহাকাব্যিক লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত হচ্ছে।

আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তাদের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বমঞ্চ। ফুটবল রোমান্টিকদের কাছে এটি যেন এক আবেগঘন ‘ওয়ান লাস্ট ড্যান্স’—শেষবারের মতো একই আসরে দুই মহাতারকাকে দেখার অপেক্ষা।

ক্যারিয়ারে প্রায় সব অর্জনই নিজেদের করে নিয়েছেন মেসি ও রোনালদো। তবে বিশ্বকাপকে ঘিরে তাদের তাড়না এখনো ফুরিয়ে যায়নি। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন মেসি। অন্যদিকে রোনালদো এখনো বিশ্বকাপ ট্রফির স্বপ্ন বুকে ধারণ করে আছেন। পর্তুগালের জার্সিতে শেষবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে নামলে সেটিই হতে পারে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মিশন।

দুজনই যদি আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নেন, তবে ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে খেলার কীর্তি গড়বেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে গতি ও শারীরিক সক্ষমতায় কিছুটা পরিবর্তন এলেও অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতায় এখনো তারা অনন্য।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশ্বকাপ কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়—এটি একটি যুগের শেষ অধ্যায়। মেসি ও রোনালদোর দ্বৈরথ আধুনিক ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তাদের প্রতিযোগিতা শুধু গোল, ট্রফি বা ব্যক্তিগত পুরস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি পুরো ফুটবল সংস্কৃতিকে বদলে দিয়েছে।

মাঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ব্যক্তিগতভাবে দুজনের মধ্যেই রয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। আর তাই ভক্তদের প্রত্যাশা, শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নেমে তারা আবারও নিজেদের সেরাটা উপহার দেবেন।

সময়ের নিয়মে একদিন বিদায় নিতেই হয়। কিন্তু মেসি ও রোনালদোর বিদায় হবে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায়গুলোর একটি। যখন তারা শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামবেন, তখন কোটি কোটি দর্শকের চোখ থাকবে সেই দুই জাদুকরের দিকেই।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মেসি ও রোনালদোর ‘লাস্ট ড্যান্স’

প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ফুটবল বিশ্বের দুই অবিসংবাদিত মহাতারকা Lionel Messi এবং Cristiano Ronaldo। গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলকে নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নৈপুণ্য ও অসংখ্য রেকর্ডে রাঙিয়ে রাখা এই দুই কিংবদন্তি এখন ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে দাঁড়িয়ে। তবুও ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আরও একবার মহাকাব্যিক লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত হচ্ছে।

আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তাদের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বমঞ্চ। ফুটবল রোমান্টিকদের কাছে এটি যেন এক আবেগঘন ‘ওয়ান লাস্ট ড্যান্স’—শেষবারের মতো একই আসরে দুই মহাতারকাকে দেখার অপেক্ষা।

ক্যারিয়ারে প্রায় সব অর্জনই নিজেদের করে নিয়েছেন মেসি ও রোনালদো। তবে বিশ্বকাপকে ঘিরে তাদের তাড়না এখনো ফুরিয়ে যায়নি। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন মেসি। অন্যদিকে রোনালদো এখনো বিশ্বকাপ ট্রফির স্বপ্ন বুকে ধারণ করে আছেন। পর্তুগালের জার্সিতে শেষবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে নামলে সেটিই হতে পারে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মিশন।

দুজনই যদি আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নেন, তবে ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে খেলার কীর্তি গড়বেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে গতি ও শারীরিক সক্ষমতায় কিছুটা পরিবর্তন এলেও অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতায় এখনো তারা অনন্য।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশ্বকাপ কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়—এটি একটি যুগের শেষ অধ্যায়। মেসি ও রোনালদোর দ্বৈরথ আধুনিক ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তাদের প্রতিযোগিতা শুধু গোল, ট্রফি বা ব্যক্তিগত পুরস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি পুরো ফুটবল সংস্কৃতিকে বদলে দিয়েছে।

মাঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ব্যক্তিগতভাবে দুজনের মধ্যেই রয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। আর তাই ভক্তদের প্রত্যাশা, শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নেমে তারা আবারও নিজেদের সেরাটা উপহার দেবেন।

সময়ের নিয়মে একদিন বিদায় নিতেই হয়। কিন্তু মেসি ও রোনালদোর বিদায় হবে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায়গুলোর একটি। যখন তারা শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামবেন, তখন কোটি কোটি দর্শকের চোখ থাকবে সেই দুই জাদুকরের দিকেই।