Dhaka ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ ইরানি মিডিয়ায় গাড়িতে ৩০ শতাংশ জ্বালানি কম নেবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ‘সীমা লঙ্ঘন’ করায় স্কোয়াড থেকে আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে বাদ দিল চেলসি গাড়ি কিনতে সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ বাংলাদেশ সীমান্ত পাহারায় সাপ ও কুমির ব্যবহার করবে বিএসএফ? রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তেলের সংকট নেই, কৃষকদের কোনো সমস্যা হবে না: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হামের প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল শারীরিক অবস্থার উন্নতি, মির্জা আব্বাসকে কেবিনে স্থানান্তর দাবদাহে পুড়বে দেশ, তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে ৪২ ডিগ্রি

দাবদাহে পুড়বে দেশ, তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে ৪২ ডিগ্রি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 7

চৈত্র মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ ছিল বেশ স্বস্তিদায়ক। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। কোথাও হালকা বৃষ্টি, কোথাও ভারী বৃষ্টি, আবার কোথাও বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে।

মার্চ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রাও বেশি ওঠেনি; সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল। কিন্তু ১৫ চৈত্রের পর থেকে গরম বেড়েছে। সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সামনের চৈত্র-বৈশাখে গরমের মাত্রা আরও বাড়বে। একাধিক তাপপ্রবাহের সঙ্গে একই সময়ে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টি এবং উপকূলবর্তী এলাকায় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কাও রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে তাপমাত্রা ৩৬-৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এছাড়াও ১-২টি তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।

গরমের তীব্রতায় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপে রূপ নিয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দাবদাহে পুড়বে দেশ, তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে ৪২ ডিগ্রি

প্রকাশের সময় : ০৪:০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্র মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ ছিল বেশ স্বস্তিদায়ক। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। কোথাও হালকা বৃষ্টি, কোথাও ভারী বৃষ্টি, আবার কোথাও বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে।

মার্চ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রাও বেশি ওঠেনি; সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল। কিন্তু ১৫ চৈত্রের পর থেকে গরম বেড়েছে। সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সামনের চৈত্র-বৈশাখে গরমের মাত্রা আরও বাড়বে। একাধিক তাপপ্রবাহের সঙ্গে একই সময়ে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টি এবং উপকূলবর্তী এলাকায় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কাও রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে তাপমাত্রা ৩৬-৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এছাড়াও ১-২টি তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।

গরমের তীব্রতায় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপে রূপ নিয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।