Dhaka ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পহেলা বৈশাখের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’, প্রথম পর্যায়ে ৯ ইউনিয়নে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / 156

কৃষকদের জন্য বহুল আলোচিত ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন-উর রশীদ।

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাইলট প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হবে এবং পরবর্তীতে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ড চালু নিয়ে গঠিত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। সভায় কৃষিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষক কার্ডের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন।

এটি সারাদেশে একযোগে চালু হবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে ৯টি উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম চালু করা হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কী সুবিধা পাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। শুরুতে প্রান্তিক কৃষকদের কিছু বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে, যা অনেকটা ফ্যামিলি কার্ডের আদলে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো উৎপাদন, ভোক্তা, কৃষিজমি, কৃষিপণ্য ও বিভিন্ন জাতের তথ্যকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার আওতায় আনা। এর ফলে কৃষকরা সহজে সরকারি সহায়তা পাবেন এবং সরকারের কাছেও কৃষি খাতের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য থাকবে।

বিনামূল্যে সার ও বীজ দেওয়া হবে কি না—এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একেবারে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষেত্রে এ সুবিধা দেওয়া হবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি জানান।

প্রকৃত কৃষক কারা—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, যারা সরাসরি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত, তারাই এই প্রকল্পে কৃষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। প্রকৃত ও সক্রিয় কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পহেলা বৈশাখের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’, প্রথম পর্যায়ে ৯ ইউনিয়নে

প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

কৃষকদের জন্য বহুল আলোচিত ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন-উর রশীদ।

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাইলট প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হবে এবং পরবর্তীতে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ড চালু নিয়ে গঠিত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। সভায় কৃষিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষক কার্ডের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন।

এটি সারাদেশে একযোগে চালু হবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে ৯টি উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম চালু করা হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কী সুবিধা পাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। শুরুতে প্রান্তিক কৃষকদের কিছু বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে, যা অনেকটা ফ্যামিলি কার্ডের আদলে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো উৎপাদন, ভোক্তা, কৃষিজমি, কৃষিপণ্য ও বিভিন্ন জাতের তথ্যকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার আওতায় আনা। এর ফলে কৃষকরা সহজে সরকারি সহায়তা পাবেন এবং সরকারের কাছেও কৃষি খাতের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য থাকবে।

বিনামূল্যে সার ও বীজ দেওয়া হবে কি না—এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একেবারে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষেত্রে এ সুবিধা দেওয়া হবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি জানান।

প্রকৃত কৃষক কারা—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, যারা সরাসরি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত, তারাই এই প্রকল্পে কৃষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। প্রকৃত ও সক্রিয় কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।