খুলনায় ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা, বিএনপি নেতার মৃত্যু
- প্রকাশের সময় : ১১:১৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 239
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মধ্যে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান এবং মারা যান।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, তাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। তিনি বাধা দিলে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মৃত্যুর খবর শোনা যায়। ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি এবং সিসি ক্যামেরা যাচাইয়ের কথা জানান।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে এবং এটি তার বিষয় নয়।
সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি জানান, দুই পক্ষের উত্তেজনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন একজনকে সিএনজিতে করে নিয়ে যেতে দেখা যায় এবং ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানান।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয় এবং তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় কচি নিহত হয়েছেন এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
অন্যদিকে আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, তিনি কাউকে ধাক্কা দেননি; শুধু কয়েকজনকে সরে যেতে বলেছিলেন।
জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনায় জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক।





















