Dhaka ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় খুন হন সাম্য

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 88

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে ডিবি পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তিনি জানান, এ মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত এবং চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন— মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন। তারা সবাই মাদক কারবারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১৩ মে রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সাম্যকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় বন্ধুরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তরা উদ্যানে নিয়মিত গাঁজা বিক্রি করত। সাম্য ও তার বন্ধুরা এ কাজ থেকে তাদের বিরত থাকতে বলায় উভয়ের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এক পর্যায়ে তারা সাম্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, এতে তিনি নিহত হন।

ডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেহেদী ও তার সহযোগীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রির নেতৃত্ব দিত। ঘটনার রাতে সাম্য অভিযুক্ত রাব্বিকে গাঁজা বিক্রি করতে দেখে বাধা দিলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে রাব্বি ও তার সহযোগীরা সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, সাম্য হত্যায় মেহেদী হাসানকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় খুন হন সাম্য

প্রকাশের সময় : ১২:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে ডিবি পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তিনি জানান, এ মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত এবং চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন— মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন। তারা সবাই মাদক কারবারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১৩ মে রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সাম্যকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় বন্ধুরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তরা উদ্যানে নিয়মিত গাঁজা বিক্রি করত। সাম্য ও তার বন্ধুরা এ কাজ থেকে তাদের বিরত থাকতে বলায় উভয়ের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এক পর্যায়ে তারা সাম্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, এতে তিনি নিহত হন।

ডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেহেদী ও তার সহযোগীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রির নেতৃত্ব দিত। ঘটনার রাতে সাম্য অভিযুক্ত রাব্বিকে গাঁজা বিক্রি করতে দেখে বাধা দিলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে রাব্বি ও তার সহযোগীরা সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, সাম্য হত্যায় মেহেদী হাসানকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।