Dhaka ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রিসাইডিং অফিসারই হবেন কেন্দ্রের ‘চিফ ইলেকশন অফিসার’ : সিইসি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 96

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ভোটগ্রহণকেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারই হবেন সেই কেন্দ্রের ‘চিফ ইলেকশন অফিসার’। আইন অনুযায়ী সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগের দায়িত্ব তার ওপরই থাকবে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া বিষয়ক কর্মশালায় তিনি বলেন, “প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র স্থগিত করুন, আইন প্রয়োগ করুন—তবে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন।”

সিইসি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে আইনের শাসনের প্রকৃত রূপ দেখাতে চায় নির্বাচন কমিশন। “যা হয় হবে—আমরা এবার দেখাতে চাই আইনের শাসন কাকে বলে।”

তিনি জানান, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। “আমরা চাই একটি ক্ষমতাসম্পন্ন প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার গড়ে তুলতে। আপনারা যদি ক্ষমতা ব্যবহার না করেন, সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।”

সিইসি বলেন, যতক্ষণ কর্মকর্তারা আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন, নির্বাচন কমিশন তাদের পূর্ণ সমর্থন দেবে।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন ‘সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন সেল’ ও ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স ইউনিট’ গঠন করেছে, যাতে দ্রুত যোগাযোগ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

নাসির উদ্দিন বলেন, “একটি সফল নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি হলো সমন্বয়—প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর সমন্বয়ই নির্বাচনের সাফল্য নিশ্চিত করবে।”

তিনি জানান, ভুয়া তথ্য ও এআই-ভিত্তিক অপপ্রচার মোকাবিলায় কমিশন একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে, তবে এর কার্যক্রম সম্পর্কে আরও জনসচেতনতা তৈরি প্রয়োজন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রিসাইডিং অফিসারই হবেন কেন্দ্রের ‘চিফ ইলেকশন অফিসার’ : সিইসি

প্রকাশের সময় : ০২:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ভোটগ্রহণকেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারই হবেন সেই কেন্দ্রের ‘চিফ ইলেকশন অফিসার’। আইন অনুযায়ী সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগের দায়িত্ব তার ওপরই থাকবে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া বিষয়ক কর্মশালায় তিনি বলেন, “প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র স্থগিত করুন, আইন প্রয়োগ করুন—তবে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন।”

সিইসি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে আইনের শাসনের প্রকৃত রূপ দেখাতে চায় নির্বাচন কমিশন। “যা হয় হবে—আমরা এবার দেখাতে চাই আইনের শাসন কাকে বলে।”

তিনি জানান, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। “আমরা চাই একটি ক্ষমতাসম্পন্ন প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার গড়ে তুলতে। আপনারা যদি ক্ষমতা ব্যবহার না করেন, সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।”

সিইসি বলেন, যতক্ষণ কর্মকর্তারা আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন, নির্বাচন কমিশন তাদের পূর্ণ সমর্থন দেবে।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন ‘সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন সেল’ ও ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স ইউনিট’ গঠন করেছে, যাতে দ্রুত যোগাযোগ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

নাসির উদ্দিন বলেন, “একটি সফল নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি হলো সমন্বয়—প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর সমন্বয়ই নির্বাচনের সাফল্য নিশ্চিত করবে।”

তিনি জানান, ভুয়া তথ্য ও এআই-ভিত্তিক অপপ্রচার মোকাবিলায় কমিশন একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে, তবে এর কার্যক্রম সম্পর্কে আরও জনসচেতনতা তৈরি প্রয়োজন।